আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
702 views
in দাফন ও জানাজা (Burial & Janazah) by (18 points)
reopened by
আসসালামু আলাইকুম উস্তাজ,
গর্ভবতী মায়ের গর্ভে বাচ্চার বয়স ৪৫ দিন হওয়ার পর, হঠাৎ মায়ের ব্লিডিং হয়ে ৪ দিন পর গর্ভের বাচ্চার বয়স ৪৯ দিনের মাথায় আল্ট্রা পরীক্ষার পরে ডাক্তার বলেন, বাচ্চা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এখন সেটিকে অপসারণ করতে হবে। এখন মায়ের গর্ভ থেকে অপসারণকৃত ৪৯ দিনের রক্তপিন্ড/গোশত পিন্ড ওপর কী হুকুম হবে? অর্থাৎ,
প্রশ্ন ১ঃ উক্ত রক্তপিন্ড/গোশত পিন্ড কে কী সাধারণ মৃত দেহের মতো জানাযা ও কবরস্থানে দাফন বা কাফন করতে হবে?
প্রশ্ন ২ঃ কবরস্থানে দাফন বা কাফন না যদি না করা লাগে তাহলে সেটা কী করা উচিত?
জানালে উপকৃত হবো, ইনশাআল্লাহ।

1 Answer

0 votes
by (814,680 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
সন্তান মৃত জন্ম নিলে, সেই সন্তানের নাম রাখা উচিৎ।তাকে গোসল দিয়ে সাদা কাপড় মুড়িয়ে দাফন করা হবে।তবে তার জানাযার নামায পড়া হবে না।
"সাদ বিন...(স্বামীর নাম).... "  এভাবে রেখে দিবেন।
(قوله: وإلا يستهل غسل وسمي) شمل ما تم خلقه، ولا خلاف في غسله وما لم يتم، وفيه خلاف. والمختار أنه يغسل ويلف في خرقة، ولا يصلى عليه كما في المعراج والفتح والخانية والبزازية والظهيرية شرنبلالية۔۔۔۔۔ والخلاصة من أن المختار تغسيله بأنه سبق نظرهما إلى الذي تم خلقه۔۔۔۔۔ وذکر العلقمي في حدیث:”سموا أسقاطکم فإنھم فرطکم“۔ (ردالمحتارعلى الدرالمختار، باب صلوٰۃ الجنازۃ، ج2، ص228)

দারুল উলূম দেউবন্দ থেকে প্রকাশিত একটি ফাতাওয়ায় বলা হয় যে,
فتوی(ھ): 1710=1257-9/1431
اگر بچہ کے اعضاء بن گئے تھے اور وہ مردہ پیدا ہوا تب تو صا ف کرکے پاک کپڑے میں لپیٹ کر تدفین کا حکم لاگو ہوتا ہے، اوراگر اعضاء نہ بنے ہوں تو پھر تدفین کا حکم نہیں،اگر اعضاء بن گئے تھے تو بعد میں آنے والا خون نفاس کا خون ہوگا اور جب خون نفاس بند ہوجائے تو بند ہونے پر غسل واجب ہے، بعد غسل جسمانی تعلق (جماع) بھی جائزہوجاتا ہے۔ اگر نویں دسویں ہفتہ میں اسقاط ہوا تو غالب یہ ہے کہ بچہ ے اعضاء نہ بنے ہوں گے۔ ایسی صورت میں آنے والا خون نفاس نہ ہوگا بلکہ حیض شمار ہوگا، جب وہ خون ختم ہوجائے یا اکثر مدت یعنی دس دن سے متجاوز ہوجائے تو جماع میں کچھ حرج نہیں۔

যদি চার মাস বা তার চেয়ে বেশী সময়ের পর গর্ভপাত হয় তাহলে গর্ভপাত পরবর্তী নেফাস হিসেবে গণ্য হবে।আর চার মাসের পূর্বে গর্ভপাত হলে সে রক্তকে হায়েয গণ্য করা হবে যদি তা তিনদিন বা তার চেয়ে বেশী সময় অতিবাহিত হয়।আর তিনদিনের কম বা দশদিনের বেশী সময় অতিবাহিত হলে সে রক্তকে ইস্তেহাযার রক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।(আহসানুল ফাতাওয়া-২/৭১)

মায়ের গর্ভ থেকে অপসারণকৃত ৪৯ দিনের রক্তপিন্ড/গোশত পিন্ডের জানাযার নামায পড়া লাগবে না। গোসল বা কাফনও দিতে হবে না। বরং একটি কাপড় মুড়িয়ে কবর দিয়ে দিলেই হবে। তবে যেখানে সেখানে ফেলে না দিয়ে বরং মাঠিতে দাফন করাই উচিৎ।

গর্ভপাত পরবর্তী হায়েয না নেফাস? সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1570

যে সকল কারণে ৪ মাসের পূর্বে গর্ভপাত জায়েয রয়েছে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2022


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...