0 votes
38 views
in সুন্নাহ-বিদ'আহ (Sunnah and Bid'ah) by (5 points)
আমাদের এলাকার মসজিদে মিলাদ পড়ানো হয় না। তবে কারো মৃত্যুবার্ষিকি বা কোনো নবজাতক শিশুর জন্ম বা চাকরি, নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান উদ্ভোধন উপলক্ষে সুরা, দরুদ পাঠ করে সসম্মিলিত মোনাজাত করা হয় তারপর মিস্টি, জিলাপি বা খাবার বিতরন করা হয়, আমার প্রশ্ন হলো এসবে অংশ নেয়া এবং এই খাবার খাওয়া কি জায়েজ?  আর মিলাদ বিদাত এবং মিলাদ শেষে যে খাবার দেয়া হয়,অনেক সময় নিকট আত্মিয় মিলাদের আয়োজন  করে মিলাদে অংশ নেই না তবে দেখা যায় সেই পরিচিত ব্যাক্তি জোর করে মিলাদের খাবার দিয়ে যায়। মিলাদ না পড়ে সেসব খাবার খাওয়া হারাম কি?

1 Answer

–1 vote
by (17,080 points)
edited by

 

بسم الله الرحمن الرحيم

জবাবঃ-

হযরত আয়েশা রাযি থেকে বর্ণিত,

 

عن أمِّ المؤمنين أم عبدالله عائشةَ رضي الله عنها قالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من أحدث في أمرنا هذا ما ليس منه فهو رَدٌّ))؛ [رواه البخاري ومسلم]، وفي رواية لمسلم: ((من عمِل عملًا ليس عليه أمرنا فهو رَدٌّ)).

 

মর্মার্থ-রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,যে ব্যক্তি দ্বীনে ইসলামে নতুন কিছুকে আবিস্কার করবে,যা আমাদের শরীয়তে নাই।এসবই হল পরিত্যাজ্য।(বোখারী-মুসলিম)

 

সু-প্রিয় পাঠকবর্গ ও প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!

মিলাদ অর্থ হল,জন্ম। মিলাদ মাহফিল মানে জন্ম উপলক্ষে মাহফিল বা অনুষ্টান। সুতরাং মিলাদ নামে কোনো অনুষ্টানের বৈধতা শরীয়তে নাই। হ্যা বিভিন্ন সময় ওয়াজ নসিহত ও দ্বীনী আলোচনার আয়োজন করা যেতে পারে।

 প্রচলিত মিলাদের পরে যেই খাবারের আয়োজন করা হয়,উক্ত খাবার হালাল টাকায় বানানো হলে তাহা খাওয়া হারাম নয়।তবে বিদ'আত হওয়ার কারনে সতর্কতামূলক না খাওয়াই উত্তম।অনুরুপ ভাবে কুলখানি চল্লিশার খাবার খাওয়াও হারাম নয়,তবে সতর্কতামূলক না খাওয়াই উত্তম।গরিব মিসকিনকে দিয়ে দেওয়া ভালো।

নতুন দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্টান শুরু করার সময়ে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা বা দ্বীনী আলোচনার মাহফিলকে জরুরী মনে করা বিদ'আত। কেননা এমন কোনো নিয়ম রাসূলুল্লাহ সাঃ এর যুগে ছিল না।

জরুরী মনে না করে,রহমত ও বরকতের নিয়তে নেককার লোকের দ্বারা দু'আ দুরুদ ও দ্বীনী আলোচনার মাধ্যমে দোকান বা ব্যবসা প্রতিষ্টান কিংবা বাসা-বাড়ীর সুচনা করা যেতে পারে। তবে মিলাদ মাহফিল কখনো করা যাবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী মুজিবুর রহমান
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...