আসসালামু আলাইকুম।
(১) সুরা ফাতিহা পড়ার সময় একই লাইন যদি দুইবার পড়ি। অর্থাৎ ১বার পড়লাম। মনে হলো কোথাও ভুল গেছে। তাই আবার একাধিকবার সেই লাইন পড়লাম।(যেন লাইনটা সঠিক উচ্চারণ হয়) তাহলে কি সেজদা সাহু দিতে হবে? নাকি একাধিক বার একি লাইন পড়লে সমস্যা হবে না?
(২) নামাজে যদি সুরা ফাতিহা বা অন্য সুরা সম্পুর্ন পড়ার পর হঠাৎ মনে হয় যে সুরার কোথাও ভুল হয়ে গেল কিনা, তখন আবার সেই সুরা প্রথম থেকে পড়া যাবে? (যেহেতু একবার পড়েছি।)
(৩) একাকি নামাজে সুরা ফাতিহা পড়ার পর কি "আমিন" বলা যাবে? যদি বলা যায়, তাহলে "আমিন" কি জোড়ে বলতে হবে?
(৪) ওজু করার সময় কুলি করার ক্ষেত্রে কি পানি গলা পর্যন্ত যেতে হবে? শুধু মুখে নিয়ে কুলি করলে কি হবে?(কারন, গলা পর্যন্ত নিতে গেলে অনেক সময় পানি কিছুটা গিলে ফেলতে হয়, বা হঠাৎ পানি গলার মধ্যে নিতে গেলে হাল্কা বমিভাব চলে আসে)
(৫) খাওয়ার পর অনেক সময় দাতের কোনায় ভাত/কোন খাবার জমে থাকে। কিন্তু কুলি করার পরও অনেক সময় দাতের কোনা থেকে যায় না। কুলির পরও যদি দাতের কোনায় কোন খাবার লেগে থাকে, তাহলে কি ওজুর সুন্নত পূরণ হবে? (কারন অনেক সময় হয়তো মেসওয়াক, ব্রাশ ব্যবহার করা হয়না)
(৬) ওজু করার সময় যদি ভুলে যাই যে, হাত/শরীরের অন্য কোন অংশ ২বার ধৌত করলাম নাকি ৩বার ধৌত করলাম। তখন কি আরো ১বার বেশি ধৌত করবো?
(যদি ২বার ধৌত করেছি এইটা সিওর,কিন্তু ৩বার ধৌত করেছি নাকি সিওর হতে পারতেছিনা। তখন কি ওই অবস্থায়ই রেখে দিব নাকি আরো ১বার ধৌত করবো?) (কারন ৩ বারের কম হলে তো সুন্নত পালন হবে না, আবার ৩ বার যদি ১ম এই করে থাকি কিন্তু মনে নেই,তখন আরো ১বার বেশি করলেও তো ৪ বার হয়ে গেল। কিন্তু ৩ বারের বেশি করলে তো সুন্নত পালন হবে না।)
(৭) ফরজ নামাজে প্রথম রাকাতে সুরা ইখলাস পড়ে ২য় রাকাতে সুরা ফালাক/নাস পড়া যাবে? অর্থাৎ ১ম রাকাতে যেই সুরা পড়বো, ২য় রাকাতে তার থেকে বড় সুরা পড়া যাবে? ১ম রাকাতের থেকে ২য় রাকাতে বড় সুরা পড়া কি অনুত্তম?
(৮) ঘুমাতে যাওয়ার সময় যখন কোন দোয়া/সুরা (যেমনঃ সুরা ইখলাস,সুরা ফালাক,সুরা নাস- ৩বার করে) পড়ে ঘুমানো হয়, তখন সেই দোয়া/সুরা কি মনে মনে পড়া যাবে? নাকি সেই দোয়া/সুরা নামাজের মতই এতটুকু জোড়ে পড়তে হবে যেন নিজের কানে আসে।
(৯) ওজুতে একবার যেই পানি ব্যবহার হয়ে গেছে, সেই পানি কি আবার প্রস্রাব/পায়খানা করার পর নিজেকে পাক করার জন্য ধৌত করতে ব্যবহার করা যাবে?