আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
389 views
in পবিত্রতা (Purity) by (25 points)
আসসালামুয়ালাইকুম, নীচে হাদিসের ছবিটি দিচ্ছি।এই হাদিসটি কি আমল যোগ্য? বিস্তারিত জানতে চাচ্ছি।

..........................…...…...........................................................…...................?????????????????¿?..................................

...............

।।.....

https://drive.google.com/file/d/1dv0xxTvOs69spgYEDmoXG6AITA3Xdg6k/view?usp=drivesdk

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم


হাদীস শরীফে এসেছেঃ- 

وَعَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: لَا تَغْتَسِلُوا بِالْمَاءِ الْمُشَمَّسِ فَإِنَّهُ يُورِثُ البرص. رَوَاهُ الدَّارَقُطْنِيّ

‘উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রোদে গরম করা পানি দিয়ে গোসল করো না। কারণ এ পানি শ্বেত ও কুষ্ঠ রোগ সৃষ্টি করে।
(হাদীসের হুকুম জয়ীফ।)

(দারাকুত্বনী ১/৩৯, বায়হাক্বী ১/৬,মিশকাত ৪৮৯. তালখীসুল হাবীর ৬, ৭ নং পৃঃ।) 

কারণ এর সানাদে হায়সাম ইবনু আযহার আস্ সালাফী নামে একজন দুর্বল রাবী রয়েছে যাকে ইবনু হিব্বান ছাড়া কেউ বিশ্বস্ত বলেননি। আর তার তাওসীক করণকে অনেকেই সঠিক বলেননি। কারণ তিনি মাজহূল (অপরিচিত) রাবীদেরও বিশ্বস্ত বলে থাকেন।

عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ : دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - وَقَدْ سَخَّنْتُ مَاءً فِي الشَّمْسِ ، فَقَالَ : " لَا تَفْعَلِي يَا حُمَيْرَاءُ فَإِنَّهُ يُورِثُ الْبَرَصَ " . غَرِيبٌ جِدًّا ، خَالِدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ مَتْرُوكٌ

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার ঘরে প্রবেশ করলেন, তখন আমি সূর্যের তাপে পানি গরম করছিলাম। তিনি বললেন, হে হুমায়রা! তা করো না। কারণ তাতে শ্বেতরোগের সৃষ্টি হয়। হাদিসটি এ সূত্রে যথেষ্ট গরীব। খালিদ ইবন ইসমাঈল মাতরূক (পরিত্যক্ত) রাবী।
(সুনানে দারা কুতনি ৮২)

عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : نَهَى رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - أَنْ يُتَوَضَّأَ بِالْمَاءِ الْمُشَمَّسِ أَوْ يُغْتَسَلَ بِهِ ، وَقَالَ : " إِنَّهُ يُورِثُ الْبَرَصَ " . عَمْرُو بْنُ مُحَمَّدٍ الْأَعْسَمُ مُنْكَرُ الْحَدِيثِ ، وَلَمْ يَرْوِهِ عَنْ فُلَيْحٍ غَيْرُهُ ، وَلَا يَصِحُّ عَنِ الزُّهْرِيِّ

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যের তাপে গরম করা পানি দিয়ে উযু করতে অথবা গোসল করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ তাতে শ্বেতরোগের সৃষ্টি হয়। আমর ইবন মুহাম্মাদ আল-আ'ছাম প্রত্যাখ্যাত রাবী। তিনি ছাড়া আর কেউ ফুলাইহ এর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেন নি। যুহরী (রহঃ) থেকে এ হাদীস সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয় নি।
(সুনানে দারা কুতনি ৮৩)

এই হাদীস গুলোর ব্যাখায় বলা হয়েছেঃ-
হাদীস থেকে প্রতীয়মান হয় যে, সূর্যের পানি (সূর্যের কিরণে উত্তপ্ত) দ্বারা গোসল করা মাকরূহ। তবে শাফি‘ঈ মাযহাবের বিশুদ্ধ মত হলো সূর্যের পানি কম বা বেশী হোক, শরীরে তা ব্যবহার করা মাকরূহ। তবে ইমাম শাফি‘ঈ-এর পরবর্তী অনুসারীদের মতে তা মাকরূহ নয় এবং এটাই অন্য তিন ইমামদের মত এবং অগ্রগণ্য মত।

কারণ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ বিষয়ে কোন সহীহ দলীল নেই। আর সব বিষয় মৌলিকভাবে বৈধতার উপরই থাকবে যতক্ষণ না শারী‘আত কর্তৃক অবৈধতা বা মাকরূহাতের প্রমাণ পাওয়া যাবে।

★সুতরাং সূর্যের তাপে উত্তপ্ত পানি দ্বারা অযু গোসল  করা যাবে।
এতে পবিত্রতা অর্জন হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...