আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
415 views
in সাওম (Fasting) by (146 points)
আসসালামু আলাইকুম উস্তাদ,


রোজা রাখার ক্ষেত্রে যদি নিশ্চিত না হই যে সেহরি করতে উঠতে পারবো, এজন্য ঘুমানোর আগে রোজার রাখার নিয়ত করি। এরপর যদি সেহরি তে উঠতে পারি এবং সেহরি করে আবার নিয়ত করে ফেলি  তাহলে কি রোজা হবে? দয়া করে জানাবেন।

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
edited by
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
জবাবঃ- 


https://ifatwa.info/16063/ নং ফাতাওয়াতে উল্লেখ রয়েছে  যে,

শরীয়তের বিধান অনুযায়ী সেহরী খাওয়া মুস্তাহাব। 

ফরজ বা ওয়াজিব নয়।

তবে সেহরী খাওয়ার দ্বারা রোযার রাখতে শক্তি অর্জন হয়। তাই সেহরি খাওয়া মুস্তাহাব।   

সুতরাং সাহরী খাওয়া ছাড়াই কেহ রোযা রাখলে রোযা আদায় হয়ে যাবেপুরোপুরি ছওয়াবও পাবে। (নাজমুল ফাতওয়া ৩/১৮৫)

 

এতে ছওয়াবের ভিতরে কোনো কমতি করা হবেনা।

সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত এই অবস্থাগুলোতে আপনি রোযা রেখে দিবেন

অর্ধ দিনের আগেই আপনাকে মনে মনে রোযার নিয়ত করতে হবে। নতুবা রোযা হবেনা। 

 

হাদীস শরীফে এসেছে   

لما فی المشکوۃ (صـ۱۸۱): عن عائشۃ رضی اللہ عنھا قالت دخل علی النبی ﷺ ذات یوم فقال ھل عندکم شی فقلنا لا قال فانی اذا صائم ۔الخ

যার সারমর্ম হলো এক দিন রাসুল সাঃ সুবহে সাদিক থেকে কিছুই খাননি,দিনের বেলা বাড়িতে এসে আয়েশা রাঃ জিজ্ঞাসা করলেন যে ঘরে কি খাওয়ার মতো কোনো জিনিস আছেতিনি জবাব দিলেন যে না। কিছুই নেই তখন তিনি রোযা রাখার পুরোপুরি নিয়ত করে ফেললেন। 

আরো বিস্তারিত জানুন-  https://ifatwa.info/22627/

 

সেহরি খাওয়া সুন্নতএটি রোজার অংশ নয়। সেহরি না খেলেও রোজা হয়ে যায়। (মুসনাদে আহমদ ২/৩৭৭ইমদাদুল ফাত্তাহ ৬৯৭)

 

আর রমজান মাসে কোনো কারণে রাতে নিয়ত করতে না পারলে এবং সুবহে সাদিকের পর থেকে রোজা ভঙ্গের কোনো কারণ পাওয়া না গেলে দুপুরের আগ (অর্থাৎ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্তের মধ্যবর্তী সময়ের আগ) পর্যন্ত নিয়ত করার সুযোগ থাকে। তবে রাতে নিয়ত করে নেওয়াই উত্তম। [শরহু মুখতাসারিত তহাবী ২/৪০৪কিতাবুল আছল ২/২২৬ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া ১/১৯৬বাদায়েউস সানায়ে ২/২২৯] 

 


হাদীস শরীফে আছেরাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

تسحروا، فإن في السحور بركة.

 ‘তোমরা সাহরী খাও। কেননাসাহরীতে বরকত রয়েছে।’-সহীহ মুসলিম ১/৩৫০

 

অন্য হাদীসে বলা হয়েছেসাহরী খাওয়া বরকতপূর্ণ কাজ। সুতরাং তোমরা তা পরিত্যাগ করো না। এক ঢোক পানি দিয়ে হলেও সাহরী কর। কারণ যারা সাহরী খায় আল্লাহ তাআলা তাদের উপর রহমত বর্ষণ করেন এবং ফেরেশতারা তাদের জন্য রহমতের দুআ করেন।’

(মুসনাদে আহমদ ৩/১২মুসান্নাফে ইবনে আবী শায়বাহাদীস : ৯০১০সহীহ ইবনে হিববানহাদীস ৩৪৭৬)

 

আরো জানুনঃ  

https://ifatwa.info/3346/


★প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে রোযা হয়ে যাবে,এতে কোনো সমস্যা নেই।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 466 views
0 votes
1 answer 385 views
0 votes
1 answer 444 views
0 votes
1 answer 551 views
...