আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
245 views
in সালাত(Prayer) by (4 points)
১. আমি ইতালি থাকি ২০তারিখে দেশে যাব ইনশা আল্লাহ  এখানের টাইম ৩টায় ফ্লাইট কাতার যেতে ৪ঘন্টা লাগবে এর মাঝে ইতালির হিসেবে ইফতার এর টাইম হয়ে যাবে বিমানেই ত তখন ত আমি কোন দেশে থাকব জানি না ইতালিতে যখন ইফতার এর টাইম হবে তখন ই আমি প্লেনে বসেই ইফতার করব??

২. কাতার থেকে বাংলাদেশ  এ আসতে আবার ৬/৭ ঘন্টা লাগবে এখন আমি কোন দেশের হিসেবে সাহরি খাব বাংলাদেশ  এর হিসেবে নাকি কাতার টাইম হিসেবে
৩। ইতালি থেকে কাতার যাওয়ার সময় আসর মাগরিব ওয়াক্ত থাকবে এই স্বলাত গুলো আমি কিভাবে পড়ব প্লেনে কিবলা কিভাবে বুঝব সিটে বসে স্বলাত আদায় করলে কি বাসায় এসে আবার আদায় করতে হবে?? আর আমি যদি প্লেনে যারা থাকে তাদের বলে প্লেনের ফ্লোর এর জায়নামাজ বিছিয়ে স্বলাত আদায় করি তাহলে হবে??? কিবলা কিভাবে বুঝব, আর ফ্লোরে পড়লে কি আবার বাসায় এসে আদায় করতে হবে??,
৪. কাতার থেকে বাংলাদেশ কাতার এর টাইমে প্লেনে একবার ফযর এর ওয়াক্ত হবে বাংলাদেশ  টাইমে একবার ফযর ওয়াক্ত হবে ৩ঘন্টা পার্থক্য এখন আমি কোন টাইম অনুযায়ী ফযর স্বলাত আদায় করব?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
বিমানে সফরের পূর্বে যেভাবে জরুরী জিনিষপত্রের ব্যবস্থা পূর্ব থেকেই করে নিতে হয়, ঠিকতেমনি বিমানে সফরের পূর্বে নামাযের ওয়াক্ত সমূহকে জেনে নিতে হবে। যখন যেই দেশের উপর দিয়ে যেতে হচ্ছে, তখন সেই দেশে কয়টা বাজতেছে, এবং তখন কোন নামাযের ওয়াক্ত হচ্ছে, সেই হিসেবে নামায পড়ে নিতে হবে। হ্যা, যদি সফর পশ্চিম দিকে হয়, এবং কোনো এক নামাযকে পড়ে নেয়ার পর অন্য শহরে গিয়ে আবার সেই নামাযের ওয়াক্ত হয়ে যায়, তাহলে সেই নামাযকে পড়া জরুরী হবে না।

নামাযের জন্য কিবলামুখী হওয়া এবং দাড়ানো শর্ত। যদি এ দু'টির কোনো একটি সম্ভব না হয়, তাহলে 'তাশাব্বুহ বিল মুসাল্লিন' তথা নামাযির সাদৃশ্য গ্রহণ করতে হবে। এবং পরবর্তীতে ঐ নামাযকে কা'যা করে নিতে হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/4049

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) যেই দেশের উপর দিয়ে যাবেন, সেই দেশে যখন  ইফতারের টাইম হবে, তখনই আপনি ইফতার করবেন। এজন্য আপনি পূর্বেই টাইম জেনে নিবেন। সতর্কতামূলক কিছু পরে ইফতার করবেন। সফর অবস্থায় রোযা ভঙ্গ করারও রুখসত থাকবে।

(২) উপরের বিধান সেহরির বেলায়ও প্রযোজ্য হবে।

(৩) এক্ষেত্রেও উপরের বিধান প্রযোজ্য হবে।

(৪)এক্ষেত্রেও উপরের বিধান প্রযোজ্য হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

...