আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
83 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (13 points)
আসসালামু আলাইকুম।
আমি কীভাবে গুছিয়ে প্রশ্ন করবো বুঝতে পারছিনা। আসলে আমি অনুশোচনায় ভুগতেছি। আমার অতীতে করা গুনাহগুলো আমায় স্বস্তি দিচ্ছে না।
উস্তায আমি জানতে চাচ্ছি, যদি আমি কারও হক নষ্ট করে থাকি, তবে তো আমাকে তার কাছে অবশ্যই ক্ষমা চাইতে হবে। যেমন:
হতে পারে কেউ একটা কথা বলেছিল যেনো আমি অন্য কাউকে না বলি কিন্তু বলে দিয়েছিলাম, কারও জিনিস না বলে নেওয়া এটাকে তো চুরি বলে,কারও নামে গীবত করা ইত্যাদি।
১)এখন আমার প্রশ্ন হলো আমি যদি ঐ ব্যক্তিদের কাছে ক্ষমা চাই, তবে কী তাকে কারণ বলতে হবে? এটা আমার জন্য ভীষণ লজ্জাকর বিষয়, আমি কীভাবে ক্ষমা চাইতে পারি?

২)যার গীবত করেছি বা কথা দিয়ে কথা রাখিনি, তাদের কাছে ক্ষমা না চেয়ে যদি তাদের জন্য দান করি তবে কী গুনাহের কাফফারা আদায় হবে?

৩) বালেগা হওয়ার আগে কারও জিনিস না বলে নিলে তার কাছেও ক্ষমা চাইতে হবে?
৪) বিয়ের জন্য আমি যদি চেষ্টা না করে( যেমন অনলাইনে বায়োডাটা দেওয়া) কেবলমাত্র আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি যেনো উত্তম জীবনসঙ্গী মিলিয়ে দেন,তবে কী  আল্লাহ তখনই দিবেন যখন উত্তম সময় তিনি মনে করবেন? নাকি আমার অবহেলা বা চেষ্টা না করার জন্য বিলম্বে দিবেন?

1 Answer

0 votes
by (814,680 points)


ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
তাওবাহর দ্বারা আল্লাহ পাক সকল প্রকার গোনাহকে ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ তা'আলা বলেন,
قُلْ يَا عِبَادِيَ الَّذِينَ أَسْرَفُوا عَلَىٰ أَنفُسِهِمْ لَا تَقْنَطُوا مِن رَّحْمَةِ اللَّهِ ۚ إِنَّ اللَّهَ يَغْفِرُ الذُّنُوبَ جَمِيعًا ۚ إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ
বলুন, হে আমার বান্দাগণ যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয় আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(সূরা যুমার-৫৩)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1048

এ সম্পর্কে ড়ড়ড়ঢ় জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1364

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বান্দার হক হলে হক ফিরিয়ে দিয়ে তারপর আল্লাহর কাছে এবং ঐ ব্যক্তির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিকট ক্ষমা চাওয়া সম্ভব না হয়, বা ক্ষমা চাইলে হিতে বিপরীত হওয়ার আশংকা থাকে, তাহলে হক আদায় করে শুমঁতমাত্র আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলেই হবে।

(২) যাদের হক নষ্ট করা হয়েছে, তাদের হককে ফিরিয়ে দিতে হবে।  তারপর তাদের নিকট বা আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়া উতিত।

(৩)  জিনিষ ফিরিয়ে দিয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া।

(৪) আল্লাহর কাছে চাইলে আল্লাহ অবশ্যই দিবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 178 views
...