আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
125 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (8 points)
আসসালামু আলাইকুম।  আমার হাসবেন্ড ৬ মাস যাবত বিদেশে থাকেন। বিয়ের ২৫ দিনের মাথায় গেছিলেন। উনি আলহামদুলিল্লাহ খুবই আল্লাহওয়ালা। কিন্তু আমার যা মনে হয় উনি সারা দুনিয়ার সাথে যেরকম আমার সাথেও সেরকম, স্ত্রী হিসেবে আলাদা কোনো ট্রিটমেন্ট নাই। স্ত্রী কে কিভাবে রাখলে বা তার সাথে কেমন ব্যবহার করলে খুশি হবো সেটার প্রতি তার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। উনার মতে স্ত্রী কে সবসময় শাসন এর উপর রাখতে হয়, স্ত্রীর সাথে মায়ার সুরে কথা বলা মানে স্ত্রী মাথার উপর উঠে বসবে, স্ত্রী রাগ করলে উল্টা রাগ দেখিয়ে তাকে ধমানোর চেষ্টা করা। এটাই নাকি পুরুষত্ব। আমি ইলম অর্জনের প্রথম ধাপে আছি মাত্র আর উনি অনেক আইডিয়া রাখেন। আমার মানতে কষ্ট হয় যে উনি এরকম। উনার আম্মুর কাছ থেকেও আমি অনেক কথার আঘাত পাই, সেটা উনাকে বলতে চাই না কিন্তু কিছু সময় আমার বাবার বাসায় আসার কথা বললে উনি বলেন যে তোমার যদি আমার বাবা মাকে দেখতে কষ্ট হয় তুমি পারমানেন্টলি চলে যেতে পারো৷ তখন আমার কষ্ট থেকে আমি বলে দেই যে যদি আমার যাওয়ার হতো আমি এসব কথার জন্য যেতে পারতাম। তখন আবার উনি রাগ করেন যে আমার ধৈর্য নাই, আমি কেন মানুষের দোষ খুজি। উনার কাছ থেকে এমনিতেই অনেক অনেক কম সময় পাই তার উপর এমন কথা আমার খুব খারাপ লাগে, কেঁদে দেই। আবার দোয়া করি যেন আমার কান্নার জন্য উনার কোনো ক্ষতি না হয়।  এমন সিচুয়েশনে আমি কি করব আমি বুঝতে পারছি না।  আমি কিভাবে আরো ভালো স্ত্রী হয়ে উঠতে পারবো সেটার জন্য আমাকে পরামর্শ দিন। কিভাবে উনাকে আমার ইমপোর্টেন্স বুঝাবো?

1 Answer

0 votes
by (807,660 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হযরত আয়েশা রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,
خرجت مع رسول الله - صلى الله عليه وسلم - في بعض أسفاره، وأنا جارية لم أحمل اللحم ولم أبدن، فقال للناس: «تقدموا» فتقدموا ثم قال: «تعالي حتى أسابقك» فسابقته فسبقته، فسكت عني حتى حملت اللحم، وبدنت وسمنت وخرجت معه في بعض أسفاره فقال للناس «تقدموا» ثم قال: «تعالي أسابقك» فسبقني، فجعل يضحك ويقول: «هذه بتلك»
আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে কোন ভ্রমণে বের হলাম, সে সময় আমি অল্প বয়সী ও শারীরিক গঠনের দিক দিয়েও পাতলা ছিলাম, তখনো মোটা তাজা হইনি। তিনি সাহাবীদেরকে বললেন: তোমরা সামনের দিকে অগ্রসর হও। তারা যখন সামনের দিকে অগ্রসর হল, তখন তিনি আমাকে বললেন: “এসো আমরা দৌড় প্রতিযোগিতা করি, অত:পর আমি তাঁর সাথে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হলাম ও আমি তার উপর বিজয় লাভ করলাম। তিনি সে দিন আমাকে কিছুই বললেন না। যখন আমি শারীরিক দিক দিয়ে মোটা হলাম ও ভারী হলাম, ও তাঁর সাথে কোন এক সফরে বের হলাম। তিনি সাহাবীদেরকে বললেন: তোমরা সামনের দিকে অগ্রসর হও। তারা যখন সামনে অগ্রসর হল: তখন তিনি আমাকে বললেন: এসো আমরা দৌড় প্রতিযোগিতা করি, এবারের প্রতিযোগিতায় তিনি আমার আগে চলে গিয়ে হাসতে হাসতে বললেন: আজকের জয় সেই দিনের প্রতিশোধ”।(মুসনাদে আহমাদ, হাদিস: ২৬২৭৭) আরো জানুন- https://www.ifatwa.info/9798

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
পূর্ণ আগ্রহের সাথে তাকে সময় দিবেন। তাকে কখনো একা ছেড়ে দিবেন না। বরং সর্বদা তার সাথে লেগে থাকবেন। তার সকল প্রকার পছন্দের জিনিষকে নিজের পছন্দ বানিয়ে তার সাথে সর্বদা থাকার চেষ্টা করুন।পাশাপাশি তকর হেদায়তের জন্য দু'আ করবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...