আমি (একজন মেয়ে) একসময় হারাম সম্পর্কের মধ্যে ছিলাম। সেই সময়ে একদিন ছেলেটি আমাকে ফোন করে বলল, “চলো আমরা বিয়ে করি, তুমি বলো ‘আমি কবুল করছি।’” এরপর আমরা দুজনেই তিনবার করে বলেছিলাম “আমি কবুল করছি।” আমার সামনে কোনো সাক্ষী ছিল না, এবং আমি জানি না তার সামনে কেউ ছিল কি না। আমার বাবা-মাও এই বিষয়ে কিছুই জানতেন না। ছেলেটা সব দিক দিয়ে আমার থেকে গরিব এবং অশিক্ষিত ছিল।পরে আমি তার সঙ্গে সব যোগাযোগ বন্ধ করে দিই। তারপর অনেক বছর পর আমি আমার পছন্দ মত অন্য একজনকে বিয়ে করি। আমিই আমার বাবাকে জানিয়েছিলাম যে আমি এই ছেলেকে বিয়ে করতে চাই। বিয়েতে অনেক অতিথি উপস্থিত ছিলেন, সাথে দুইজন সাক্ষীও ছিলেন। আমার বাবা, আমি এবং আমাদের পুরো পরিবার এই বিয়ে নিয়ে খুশি ছিল।বিয়ের সময় ইজাব-কবুলে (Marriage Proposal and Acceptance) প্রথমে আমার স্বামী “কবুল” বললেন। যখন আমার পালা আসে, আমি কিছুক্ষণের জন্য দ্বিধা করলাম, কারণ মনে হচ্ছিল যদি আমি সঙ্গে সঙ্গে বলি, মানুষ খারাপ ভাবতে পারে। তাই আমি তখন “কবুল” বলিনি। ভেবেছিলাম আবার জিজ্ঞেস করলে বলব কিন্তু এরপর আমার বাবাই বললেন, “হ্যাঁ, সে রাজি আছে।” এরপর আমি এবং আমার স্বামী দুজনেই বিয়ের কাগজে (Nikahnama) স্বাক্ষর করি।
আমার বিয়েতে সব সম্পূর্ণরূপে আমার ইচ্ছা অনুযায়ী হয়েছিল।
আরেকটা কথা হলো সাক্ষর দেওয়ার পর আমি উকিলকে বলি আমিতো কবুল উচ্চারণ করি নি, তিনি আমার বাবা এবং স্বামীর সামনে আমাকে জিজ্ঞেস করেন আপনি কি বিয়েতে রাজি ছিলেন? আমি বললাম, জ্বি। এই কথা সাক্ষীরা শোনে নি।তখন তিনি বললেন বিয়ে হয়েছে আপনার।আরেকটা কথা হলো কেন যেন বিয়ের সময় আমার মনে এমনিতেই আসতেছিল যে না আমি এই বিয়েতে রাজি না।কেন আমি মনে মনে এমনটা বললাম আমি জানি না।তারপর খাওয়া শেষ করে আমাকে শ্বশুর বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়।
আমার বিয়ে কি বৈধ হয়েছে??. ১ম বারের টা কি বাতিল হয়েছে??