বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত।
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ثَلَاثٌ جَدُّهُنَّ جَدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جَدُّ: النِّكَاحُ وَالطَّلَاقُ وَالرِّجْعَةُ . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَقَالَ التِّرْمِذِيُّ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيب
তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তিন বিষয়ে হাসি-ঠাট্টা ও (স্বজ্ঞানে) কথার উক্তি, উভয়ই সঠিক উক্তিরূপে পরিগণিত হবে। বিবাহ, তালাক ও রজ্’আহ্ (এক ত্বলাক (তালাক)ান্তে প্রত্যাহার)। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ; ইমাম তিরমিযী বলেন, হাদীসটি হাসান গরীব)[আবূ দাঊদ ২১৯৪, তিরমিযী ১১৮৪, ইবনু মাজাহ ২০৩৯, ইরওয়া ১৮২৬, সহীহ আল জামি‘ ৩০২৭]
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
প্রশ্নের বিবরণমতে যেহেতু পাত্র পাত্রী এবং সাক্ষী সাবালক, এবং শরয়ী সাক্ষীর সামনে মৌখিক ইজাব কবুল দ্বারা বিবাহের আকদ সম্পন্ন হয়েছে, যদি অন্তরে বিয়ের নিয়ত না থাকুক, তাই বিবাহ বিশুদ্ধ হয়েছে। এখন ছেলেকে অবশ্যই তার স্ত্রীর ভরণপোষণের ব্যবস্থা করতে হবে। ছেলে যদি ভরণপোষণ না দেয়, তাহলে সে তার স্ত্রীকে মহর ইত্যাদি দিয়ে তালাক দিয়ে দিবে। স্ত্রী ইদ্দত পালন করে অন্যত্র বিয়ে বসতে পারবে।