আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
134 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (27 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়ারহমাতুল্লাহি ওয়াবারকাতুহ উস্তাদ,

এক বোনের প্রশ্ন

আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারোকাতুহ
আমি বর্তমানে ২৩ সপ্তাহের গর্ভবর্তী। আমার ২বছরের একটা সন্তান আছেন আলহামদুলিল্লাহ। আমাদের স্বইচ্ছাতেই আমরা ২য় সন্তান নেওয়ার আশা করেছি। আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাদের ২য় বারের মতো খুশি করেছেন। কিন্তু আমার এই সন্তানের ১২সপ্তাহের আল্ট্রাসাউন্ডে এসেছিল বাচ্চার ক্রোমোসোমাল ডিফেক্ট আছে তাও হাই রিস্ক। তখনো বাচ্চার হাত পা বা বিভিন্ন অর্গান পরিপূর্ণ না হওয়ায় এক্সাক্টলি কি কি সমস্যা সেটা বলতে পারেনি। তাও আমি আল্লাহর উপর ভরসা করে ২য় আল্ট্রাসাউন্ড করার অপেক্ষায় ছিলাম যে ততদিনে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু এবারো আমার বাচ্চাটার মেজর ৩টা সমস্যা ধরা পড়েছে। আমার বাচ্চাটার ২টা পা ই উল্টোদিকে পায়ের পাতা সহ। পাশাপাশি তার ব্রেইনের এক সাইড অপরিপূর্ণ। কর্পাস ক্যালোসাম নামে একটা জিনিস ব্রেইনে থাকে যেটা অনুপস্থিত ফলে তার নিউরোলজিক্যাল সমস্যা দেখা দিবে জন্মের পর। আর তার ঘাড়ে অতিরিক্ত তরল জমে আছে যার কারণে হার্টে রক্ত চলাচলে সমস্যা ধরা পড়েছে। এই আল্ট্রাসাউন্ড করার ৫দিন পর আবার আরেক ডাক্তার আল্ট্রাসাউন্ড করেছেন তাও পজিশন সেইম। আবার ৭দিন পর আরেক ডাক্তার এমনিওসিনথেসিস নামের একটা টেস্ট করেছেন যে টেস্টের মাধ্যমে বাচ্চার ফ্লুইড নিয়ে দেখবে এই সমস্যা গুলো আরো ভালোভাবে আইডেন্টিফাই করার জন্য। আমাকে ডাক্তার বারবার বলছে এই বাচ্চা জন্মগতভাবেই ত্রুটিযুক্ত হবে। তার সার্ভাইব করা অনেক কষ্টকর হবে। তাই ২৪সপ্তাহের ভিতর এবোরশন করে ফেলতে। কিন্তু আমি যতদূর জেনেছি ১২০দিন বা ৪মাসের পর বাচ্চার রুহ চলে আসে। এই সময়ের পর বাচ্চা এবোর্ট করা আর মানব হত্যার সমান অপরাধ। আমি একজন মা হয়ে এই ডিসিশনে যেতে পারছিনা। কিন্তু এমন সিচুয়েশনে ইসলাম কি বলে আসলে আমি জানতে চাচ্ছিলাম।


জাযাকুমুল্লহু খইর

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
(৩)চারমাস পূর্বে গর্ভপাতঃ
অর্থাৎ-গর্ভাশয়ে সৃষ্ট সন্তান চারমাস অতিবাহিত হওয়ার পূর্বে ঔষধের মাধ্যমে বিনষ্ট করে দেয়া।
(৪)চারমাস পর গর্ভপাতঃ
অর্থাৎ-গর্ভাশয়ে সৃষ্ট সন্তানকে চারমাস অতিবাহিত হওয়ার পর ঔষধের মাধ্যমে বিনষ্ট করে দেয়া।

তৃতীয় পদ্ধতি শরীয়ত সম্মত প্রয়োজন ব্যতীত নাজায়েজ ও হারাম।
বিশেষ কিছু কারণে শরীয়ত অনুমোদন প্রদান করে থাকে। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/446


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যদি ডাক্তার বলে যে, এই বাচ্চাকে বাচানো সম্ভব না, তাই গর্ভপাত করাতে হবে। এখন তাকে গর্ভপাত করালে গোনাহ হবে। আর যদি গর্ভপাত করানো না হয, এবং সে মারা যায়, তাহলে মাতা পিতা গোনাহ থেকে বেচে যাবে। সুতরাং গর্ভপাত না করিয়ে বরং আল্লাহর উপর তাওয়াককুল করে অপেক্ষা করাই শ্রেয়।
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2022


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

...