১. আসসালামু আ'লাইকুম।
এখানে একটি ফতোয়াতে দেখেছি, মানুষের শরীর নাপাকি শোষন করতে পারে৷ এটা বলতে কী বোঝানো হয়েছে? এই শোষণ করা আমাদের কখন কখন কাজে লাগে, অর্থাৎ কোন কোন ক্ষেত্রে পাক হওয়ার কষ্ট করতে হয়না এই শোষণের কারণে?
২. কমোডের ভিতরের পানি গায়ে ছিটা লাগলে কি সেটা পানি ঢেলেই ধুতে হবে, নাকী পানি দিয়ে তিনবার মুছে নিলেই হবে? আমার পিঠের দিকে এমন জায়গায় লেগেছিল যে সেখানে বদনা পৌছায়না, পানি ঢালা সম্ভব ছিলনা, দেখতেও পারছিলামনা কোথায়। তাই হাত দিয়ে স্পর্শ করে জায়গাটা বের করে তিনবার নতুন পানি দিয়ে হাত ধুয়ে মুছে দিয়েছি, মুছতে গিয়ে উপর থেকে নিচে ঘষার সময় হাতটা সবার শেষে যে জায়গায় আসে সেখানে তো বদনা পৌছায়, সে অংশটা আরেকটু উপর পর্যন্ত বদনার পানি ঢেলে ঘষে ধুয়েছি। এতে কি পাক হবে?
৩. মেয়েদের প্রস্রাবের পরে ইস্তিঞ্জা করার নিয়ম কী? অর্থাৎ পেছন থেকে সামনে ধুব, নাকী সামনে থেকে পিছনে? প্রস্রাব মাঝেমাঝে লজ্জাস্থান থেকে পায়ের উপরের দিকে দুইপাশে উঠে যায়, এগুলো কি নিচ থেকে উপরে ঘষে পানি ঢেলে ধোয়া যাবে? নাকী উপর থেকে নিচে ধুতে হবে? কারণ নিচ থেকে উপরে ধুলে তো নাপাকিটা উপরে চলে আসতে পারে