আসসালামু আলাইকুম।
১. আমি গত ৫-৬ বছর আগে ইসলাম সম্পর্কে তেমন জানতামনা। তো না জেনে বহু কুফরি শিরকি কাজ করেছি কথা বলেছি। যেমন- পাথরের সামনে গিয়ে পূজা করার একটিং করে খেলতাম, রাশিফল পড়তাম, দুই শালিকের ভাগ্য ভালো এসব বিশ্বাস করতাম, একটা জামা পরলে পরীক্ষা ভালো হয়, হাসির পরে কান্না আসে...বহু বহু কুফরি বিশ্বাস। এরপরে আস্তে আস্তে জানি এবং কালিমা পড়ি, তওবা করি।
তো এখন প্রায়ই এমন হয় যে ইসলামের কিছু একটা সম্পর্কে আকীদা জানিনা, নতুন করে জানলাম। হয়তো তাকদীর সম্পর্কে, বা আখিরাত সম্পর্কে একটা ভুল ধারণা ছিল যেটা বিশ্বাস করা কুফর- সেটা নতুন করে জানলাম যে ইসলাম কী বলে। বা একটা হালালকে আমি হারাম ভাবতাম, বা হারামকে হালাল এটা নতুন করে জানলাম। বা একটা বিষয় নিয়ে পরিষ্কার আকীদা ছিলনা, গোঁজামিল ধারণা ছিল, সেটার কনসেপ্ট পরিষ্কার হল।
এসব ক্ষেত্রে কি প্রতিটা ভুল বিশ্বাস ঠিক হওয়ার পরে নতুন করে কালিমা পড়ে ঈমান নবায়ন করতে হবে, নাকী দরকার নেই? আমি তো ইচ্ছা করে কুফরি বিশ্বাস করিনি।
২. অনেক সময় পুরনো কোনো ভ্রান্ত কুফরি বিশ্বাস নতুন করে মনে পড়ে- যে, আরে! আমি যে এ চিন্তাটা করতাম এটাও তো কুফরি! এখন হয়তো ওই বিশ্বাসটা আর করিনা কিন্তু এই বিশ্বাসটা যে মনের মধ্যে ছিল এটা তো ভুলেই গিয়েছিলাম!
এরকম প্রতিবার মনে পড়ার ক্ষেত্রেও কি বারবার কালিমা পড়ে ঈমান নবায়ন করতে হবে?
৩. পুরুষদের বহুবিবাহ নিয়ে কেউ বলে-
কিছু পুরুষের বহুবিবাহ লাগে, আবার কিছু পুরুষ একজন নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে পারে। আবার কেউ বলে- পুরুষ বাই ডিফল্ট এক বিয়েতে সন্তুষ্ট থাকে যেমন আদম(আ.), বহুবিবাহ হল বিশেষ কিছু এক্সেপশনাল কেস। আবার কেউ বলে ফিতরাতগতভাবে পুরুষ বহুগামী, একজন নারী নিয়ে থাকাটাই বরং অস্বাভাবিক। ইনসাফ করা না করা আলাদা আলোচনা।
এক্ষেত্রে আকীদার জায়গা থেকে আমার এই তিনটি বিশ্বাসের মাঝে কোনটি রাখা উচিত? পুরুষ কি ফিতরাতগতভাবে একগামী, বহুগামী, নাকী দুটোই হতে পারে?