যদি মুক্তাদি ইমামের তাকবির না শুনে,শুধু নামাজে নেই এমন মুকাব্বিরের তাকবিরের উপর নির্ভর করে নামাজ আদায় করে,সেক্ষেত্রে সেই মুক্তাদীর নামাজ হবেনা।
হাদীস শরীফে এসেছেঃ-
عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ، قَالَ:
كَانُوا يَفْتَحُونَ عَلَى الْإِمَامِ فِي الصَّلَاةِ
উসমান ইবন আবি আল-আস (রাঃ) বলেন:
“তারা (সাহাবায়ে কেরাম) নামাজের মধ্যে ইমামকে (কিরাআতে ভুল হলে) লোকমা দিতেন।”
(সুনান আবু দাউদ, হাদীস: ৯০৭, মুসান্নাফ ইবন আবি শাইবা)
ولو اقتدى بتكبير من ليس في الصلاة لا تصح صلاته
“যদি নামাজে নেই এমন ব্যক্তির তাকবির অনুসরণ করে কেউ নামাজ পড়ে, তার নামাজ সহিহ হবে না।”
(হিদায়া, খণ্ড ১)
ولو كان المبلغ خارج الصلاة فاقتدى الناس بتكبيره لا تجوز صلاتهم
“মুকাব্বির যদি নামাজের বাইরে থাকে এবং লোকেরা তার তাকবির অনুসরণ করে, তবে তাদের নামাজ জায়েয হবে না।”
(ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া, ১/৮৪)
ويشترط أن يكون المبلغ في الصلاة
“মুকাব্বিরের নামাজে থাকা শর্ত।”
(দুররুল মুখতার।)
“কারণ নামাজে নেই এমন ব্যক্তি ইমামের প্রতিনিধি হতে পারে না।”
যদি মুক্তাদি ইমামের তাকবির না শুনে,শুধু নামাজে নেই এমন মুকাব্বিরের তাকবিরের উপর নির্ভর করে নামাজ আদায় করে,সেক্ষেত্রে সেই মুক্তাদীর নামাজ হবেনা।
সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে বিষয়টি যদি বাস্তবেই এমন হয়,যাহা প্রশ্নে উল্লেখ রয়েছে,তাহলে যেসব মুক্তাদিরা ওই মুকাব্বিরের আওয়াজের শুনে নামাজ আদায় করেছেন,ইমামের আওয়াজ শুনতে পাননাই, তাদের নামাজ শুদ্ধ হয়নি। তাদের জন্য জোহরের নামাজ কাজা আদায় করে নেওয়া আবশ্যক।