আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
70 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (14 points)
আসসালামু আলাইকুম আপু,, আমার আম্মুর, তিনি ঠিকমতো কথা বলতে বা শুনতে পারেনা,, তার বাস্তব জ্ঞান আছে এমনকি সবই বুঝি,, কিন্তু অদৃশ্য জ্ঞান সে বুঝেনা,,, যেমন আমরা সাধারন মানুষ হাশর ময়দান কেয়ামত সম্পর্কে বিশ্বাস করি তিনি এগুলো তার মাথায় আনতে পারেনা তাই সে ঠিকমত নামাজ বা পর্দার ব্যাপারে বেখেয়ালি থাকে যে আল্লাহকে তাকে জবাবদিহি করতে হবে এটা সে বোঝেনা,, তার চিন্তাভাবনা আমাদের মত না সে এগুলো একটু কম বুঝে। তাহলে কি কেয়ামতের দিন তাকে এই নামাজ পর্দা হিসাব দিতে হবে ???আর যদি হিসাব দিতে হয় তাহলে আমি আমার মাকে এই ব্যাপারে কিভাবে বলতে পারি আমি যতই হাদিস শুনাই না কেন যতই কিছু বলি না কেন সে সেটা বোঝে , সে সেটা শুনে কিন্তু সেটা উপলব্ধি পারে না । আমি তাকে কিভাবে এই দিনের পথে আনতে পারি,, আমি সকল ধরনের চেষ্টা করেছি?? এখন কি করব? বা আমার আম্মুকে কী আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা কিয়ামতের ময়দানে জবাবদিহিতার মুখোমুুুুখি করবেন?

1 Answer

0 votes
by (807,660 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
হযরত ইবনে রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে,
 ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ ، ﻋﻦ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ : " ﻳﺼﻠﻲ ﺍﻟﻤﺮﻳﺾ ﻗﺎﺋﻤﺎ ، ﻓﺈﻥ ﻧﺎﻟﺘﻪ ﻣﺸﻘﺔ ﺻﻠﻰ ﺟﺎﻟﺴﺎ ، ﻓﺈﻥ ﻧﺎﻟﺘﻪ ﻣﺸﻘﺔ ﺻﻠﻰ ﻧﺎﺋﻤﺎ ﻳﻮﻣﺊ ﺑﺮﺃﺳﻪ ، ﻓﺈﻥ ﻧﺎﻟﺘﻪ ﻣﺸﻘﺔ ﺳﺒﺢ " 
অসুস্থ ব্যক্তি দাড়িয়ে দাড়িয়ে নামাজ পড়বে।যদি দাড়াতে কষ্ট হয়,তাহলে বসে বসে নামায পড়বে।যদি বসে বসে নামায পড়তে কষ্ট হয়,তাহলে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে তার মাথা দ্বারা ইশারা করে সে নামায আদায় করবে।যদি তারপরও তার কোনো প্রকার কষ্ট হয়,তাহলে সে যিকির করবে।(এ'লাউস-সুনান-৭/১৭৪) আল্লাহ-ই ভালো জানেন।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/271


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আমার আম্মু যদি ঠিকমতো কথা বলতে বা শুনতে না  পারেন, তার যদি বাস্তব জ্ঞান না থাকে, সাধারণ মানুষের মত বিবেক বুদ্ধি ব্যবহার করতে না পারে, উন্মাদ বা পাগলের মত মনে হয়, তাহলে সে শরীয়তের মুকাল্লাফ হবে না।তার উপর শরীয়তের বিধিবিধান আরোপিত হবে না। 

আল্লাহ তা'আলা বলেন,
لاَ يُكَلِّفُ اللّهُ نَفْسًا إِلاَّ وُسْعَهَا لَهَا مَا كَسَبَتْ وَعَلَيْهَا مَا اكْتَسَبَتْ
আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না, সে তাই পায় যা সে উপার্জন করে এবং তাই তার উপর বর্তায় যা সে করে।(সূরা বাকারা-১৮৬)

তবে যদি সে পাগল বা উন্মাদের মত না হয়, বরং কিছুটা কম জ্ঞান-বুদ্ধি থাকে, তাহলে তার উপর নামায রোযা ফরয থাকবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...