ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
ভাগ্য তথা তাকদীর দুই প্রকার। যথা-
(১) তাকদীরে মুবরাম।
(২)তাকদীরে মুআল্লাক।
তাকদীরে মুবরাম কখনোই পরিবর্তন হয় না।
আর তাকদীরে মুআল্লাক বান্দার আমল, দুআ ইত্যাদির মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়।(এগুলো বান্দা হিসেবে,আল্লাহর ইলম হিসেবে সবগুলোই তাকদীরে মুবরাম)
اعلم أن للہ تعالی في خلقہ قضائین مبرماً ومعلقاً بفعلٍ کما قال: إن فعل الشيء الفلاني کان کذا وکذا، وإن لم یفعلہ فلایکون کذا وکذا․․․․․ وأما القضاء المبرم فہو عبادة عما قدرہ سبحانہ في الأزَل من غیر أن یعلقہ بفعل الخ (مرقاة، رقم الحدیث: ۵۷۵۰، باب فضائل سید المرسلین)
বিঃদ্রঃ বাকি বান্দাকে আল্লাহ তাআলা স্বাধীনতা দিয়েছেন। সে যা ইচ্ছে করতে পারে। ভাল কাজও করতে পারে। আবার মন্দ কাজও করতে পারে। কিন্তু আল্লাহ যেহেতু সর্ব বিষয়ে জ্ঞাত। পূর্বাপর সব কিছুই তার জ্ঞানে রয়েছে। তাই তিনি জানেন বান্দা কোন কাজটি করবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/58
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
"জীবনসঙ্গী নির্দিষ্ট এবং সে কে হবে? তা জন্মের আগেই আল্লাহ তায়ালা লিখে রেখেছেন" এই কথাগুলো সঠিক। দু'আর মাধ্যমে তাকদীরকে পরিবর্তন করে দিতে পারেন। কে দু'আ করবে আর কার পরিবর্তন হবে? সেটাও আল্লাহ জানেন এবং লিখে রাখছেন।
(২) জোহরের সময় পিরিয়ড ছিল। পরবর্তীতে আসরের ওয়াক্ত চলছে, এমন সময় পিরিয়ড শেষ হয়েছে। এক্ষেত্রে জোহর পড়তে হবে না। তবে আসর পড়তে হবে যদি গোসল করে তাহরিমা বলা সমপরিমাণ সময় হাতে থাকে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/93994
(৩) এমন কোনো হাদীস আমরা খুজে পাইনি। তবে তাসবিহাত পড়ার বিভিন্ন ফযিলত হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।
(৪)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1855