আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
76 views
in পবিত্রতা (Purity) by (60 points)
আসসালামু আলাইকুম উস্তায, আমার অফিসের সহকর্মীর প্রশ্ন

১. আমি দ্বীনি একটা মাদ্রাসার কাজ করি। অনেক সময় জুনুবি হালতে অফিসে এসে পড়ি দুপুরে বাসায় গিয়ে গোসল করবো বলে। তো অফিসে যখন নামাজ হয়, বাধ্য হয়ে উপস্থিত থাকতে হয়। তো ওযু করে নামাজের নিয়ত ছাড়া নামাজের মতো চালিয়ে যায় জামাতে। প্রশ্ন হচ্ছে, এইটা কি শিরক হবে বা রিয়া হবে কিনা যেহেতু নামাজ পড়তেছি দেখানো হচ্ছে যদিও ইবাদত এর নিয়ত করা হয়নি।
২. এই কাজ সামনে থেকে না করার চেষ্টা করবো, কিন্তু আগে যতবার হয়েছে এরজন্য করণীয় কি?

৩. এটা কি ইবাদতের শিরক হবে? তাহলে কি ইমান নষ্ট হয়ে যাবে? আমি বিবাহিত তাহলে কি বিবাহ নষ্ট হবে কিনা?  বিস্তারিত ক্লিয়ার করলে ভালো হয়।

1 Answer

0 votes
by (814,680 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(ক)
যে ব্যক্তি জুনুবি (গোসল ফরয) অবস্থায় নামায পড়াকে বৈধ মনে করে, অথবা দ্বীন ইসলাম বা শরীয়তের বিধিবিধানকে তুচ্ছ করার নিয়তে জুনুবি অবস্থায়ও নামায পড়াকে বৈধ মনে করে, সেই ব্যক্তির ঈমান চলে যাবে।তার জন্য ঈমান নবায়ন করা বা বিবাহকে দোহড়ানো ওয়াজিব হয়ে যাবে। পক্ষান্তরে যেই ব্যক্তি জুনুবি অবস্থায় নামায পড়াকে বৈধ মনে করে না তবে অলসতা বা না জেনে কিংবা ভুলে নামায পড়ে নেয়, তার ঈমান চলে যাবে না। তাকে ঈমান নবায়ন করতে হবে না। তবে তার অবশ্যই গোনাহ হবে।
(খ)
যদি কোনো ব্যক্তি জুনুবি অবস্থায় গোসল করে নেয়, এবং নামায পড়ে, পরবর্তীতে জানা যায় যে, তার গোসল হয়নি, তাহলে ঐ ব্যক্তির উপর গোসল করে আবার নামাযকে দোহড়িয়ে পড়া ওয়াজিব। যেহেতু ঐ ব্যক্তি জেনে বুঝে বা ইচ্ছাকৃত গোসল ফরয অবস্থায় নামায পড়েনি তাই আশা করা যায় যে, ঐ ব্যক্তির কোনো গোনাহ হবে না। তথাপি ঐ ব্যক্তির উচিত তাওবাহ ইস্তেগফার করা। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1019


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) যেহেতু আপনি জুনুবি অবস্থায় নামায পড়াকে বৈধ বা জায়েয মনে করেননি এবং আপনি নামায পড়েননি বরং নামায পড়ার ভান ধরেছেন, তাই আপনার ঈমান নষ্ট হবে না।

(২) ভবিষ্যতে আর এরকম কোনো কাজ করবেন না। অতীতের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান।

(৩) ঈমান নষ্ট হবে না।বিবাহকেও দোহড়াতে হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...