আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
61 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (1 point)
আমার বিয়ের সময় কাবিন নামায় ১৭ নং কলাম এ লিখা ছিল বিশেষ শার্তাদি থাকিলে তাহা:মাসিক খোরপোশ সময়পযোগি ও ভদ্রাচিত ভাবে আদায় করিবেন।

১৮ নং কলাম এ লিখা ছিল : সামি স্ত্রী  কে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ  করিয়াছে কি না? করিয়া থাকিলে কি কি শর্তে?হ্যা অর্পন করিয়াছেন ১৯৬১ ইং সালের মুসলিম পারিবারিক আইনের বিধি অনুযায়ী। কাবিন নামায় আমি ও আমার সামি সাইন করি। তখন অধিকারের ব্যাপারে আমি তেমন কিছু জানতাম না।  তারপর আমার স্বামী আমাকে একদিন বলে আমাকে যদি তোমার  ভাল না লাগে ছেরে দিও আমি কিছু ই বলি না।
তারপর অনেক দিন পর আমি আমার স্বামী কে বলি একটা কাজের কথা যে এই কাজ না করলে আমি বাবার বারি চলে যাব সে বলে গেলে জাও কাকে কি ভয় দেখাও।  আমার যতদুর মনে আছে ওই কথা বলার সময় আমার তালাকের নিয়ত ছিল না পরে মনে মনে বলছি যাব কিন্তু  তালাক দিব না।

তারপর এক হুজুরের লেকচার এ শুনছি স্ত্রীদের কাছে এই যুগ এ তালাকের অধিকার রাখা উচিত না। তখন ও আমি যানতাম না কাবিন এ আমি অধিকার আছে কি না এই বিষয়ে।  আমি অধিকার চাই না তাই  আমি আমার স্বামী  কে বলি কাবিন এ ১৮ নং কলাম এর জন্য স্ত্রী  তালাকের অধিকার পায় তাই স্ত্রি ও তালাক দিতে পারে।  তুমি বল আমি তোমাকে তালাকের অধিকার দিলাম না।  সে তাই বলে৷
১/তারপর অনেক দিন পর ঝগরা লাগলে আমার স্বামী আমাকে বলে আমি আমার আমার ভাই বোন কে ছারতে পারব না তোমার যদি ভাল না লাগে তাহলে তুমি বাবার বারি চলে যাও। আমি তমাক ছারতে পারব কিন্তু  আমার ভাই বোন কে ছারতে পারব না।

২/আমার পরিবারের লোকজন কে ভাল না লাগলে বাবার বারি চলে যাবা।

৩/আমার পরিবারের লোকজন কে ঠিক মতো খেতে  দিতে না পারলে বাবার বারি চলে যাবা।  তোোমার মতো মহিলাক আমার দরকার নাই।

আমি যদি ঠিক ভাবে খেতে দিতে না পারি  তাহলে কি কিছু হবে?তাদের
ব্যাবহারের কারনে তাদের যদি আমার ভাল না লাগে তাহলে কি ক্ষতি হবে বিয়েতে আর আমি কি তার কথা গুলোর  কারণে  সারাজিবনের জন্য তালাকের অধিকার পাইছি? এগুলা কি শরত যুক্ত  অধিকার?
এই কথা গুলা শোনার  পর আমার ভয় হয় আমি তালাকের অধিকার পেয়ে গেলাম না তো  তখন  কিছু দিন পর আমি আবার মনে মনে এবং  উচ্চারন করে শব্দ করে বলি আমি তালাকের অধিকার চাই না। আমি তালাকের অধিকার  রাখলাম না।  যতটা মনে আছে এই কথা ই বলছি।
এখন কি আমার কাছে অধিকার আছে?

 আরেক প্রশ্ন
ক/ স্বামী  যদি স্ত্রি কে এক তালাক এ বায়েন দেয়  ও স্ত্রী  কে ফেরত নিতে চায়  তাহলে কি আবার বিয়ে পরাতে হবে। যদি বিয়ে না পরায়ে সংসার  করে আর তিন মাস পার হয়ে যায় তাহলে কি ক্ষতি  হবে? এক তালাক বায়েন দেওয়ার পর বিয়ে না পরায়ে যদি আবার তালাক দেয় তাহলে কি ২ তালাক হবে?

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)


বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...