আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
79 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (7 points)
আসসালামুআলাইকুম
বিয়ের প্রায় ৮ মাস হয়েছে আমি ৭ মাসের গর্ভবতী আমার স্বামী দ্বীন ইসলাম সব বুঝে কিন্তু নেশা করে তাই মাথায় ও একটু সমস্যা আছে। আমাকে খাস পর্দায় রাখছিল।কিন্তু সে নেশা করলে আমি তাকে বকি বকতে গেলে মাইর খাই ইনকাম করেনা আমার টাকায় খায় এটা বললেও মারে তবে যখন নেশাগ্ৰস্থ থাকেনা তখন খুব ভালো অনেক আদর করে সব কাজে সাহায করে অবশ্য রাগ বেশি দেখে তার কথার বিপরীত হলে মারতে আসে অত্যাচার করে। তো শেষবার এজন্য অতিষ্ট হয়ে আমি চলে আসি তখন তার ভাইয়ের বিয়ের জন্য আমাকে যেতে বলে আমি শর্ত দেই খারাপ ব্যাবহার করি যাবোনা বলি তখন তার ভাইকে পাঠায় আমি যেতে রাজী হই। নিয়ে যাওয়ার সময় সে এত নেশাগ্ৰস্হ ছিল বুঝতে পারনি বাইক থেকে ফেলে দিতে চায় নাক ফাটায় দেয় পাইপ দিয়ে মারে তখন ৪ মাসের গর্ভবতী ছিলাম। বাবার বাসায় চলে আসি তার মা বাবা নাই চাচারা সবাই মিলে তাকে অনেক শাসন করে মাইর দেয় নেশা ছেড়ে দিতে বলে। আমি প্রায় ২ মাস যোগাযোগ বন্ধ রাখি। ৩ মাসে যোগাযোগ হয় এখন সে ওয়াদা করতেছে ভালো হবে আর মারবেনা কিছু বলবেনা নেশা ছেড়ে দিছে করবেনা। কিন্তু এর আগেও এটা বলেই নিয়ে গেছে মারছে। এখন আমার মা বাবা ভরসা পাচ্ছে না। কিন্তু স্বামীকে এই কয়দিনে একটু চিনলাম সে রাগী হলেও নেশাখোর হলেও অনেক ইমোশনাল তার সাথে কঠোরতা করলে হবেনা ভালোবাসা দিয়ে জয় করা যাবে যদি আল্লাহ চায় তবে তার জন্য নেশা ছাড়া কঠিন এরকম আরও অনেকবার ওয়াদা করছে ছাড়বে রাখেনি। এখন সে বলতেছে সে ভালো হতে চায় তার হাতটা ধরতে এদিকে আমার বা তার পরিবার সবাই ভয় পাচ্ছে আমি গর্ভবতী যদি প্রতিশোধ নেয় এত মাইর খাইল অপমান হল আমি বিশ্বাস করতেছি তারা করেনা তারা পাঠাবেনা। এখন আমার কি করা উচিত তাকে কি শেষবার সুযোগ দেয়া উচিত! নাকি মা বাবার কথামত বাচ্চা না হয়া পর্যন্ত এখানে থাকা উচিত। সে বলতেছে তার মানসিক শান্তির দরকার ভুল করছে এখন সেবা করতে চায়। তার কথাবার্তা চালচলন দেখে বিশ্বাস করতে ইচ্ছা করে। এখন তার কাছে ফিরে যেতে হলে মা বাবাকে না জানায় চলে যেতে হবে তার হাত ধরতে হবে।কারন আমার মা বাবা কিছুতেই ভরসা পায়না।এভাবে কি মা বাবাকে কষ্ট দেয়া ঠিক হবে? আমার কি করা উচিৎ?

1 Answer

0 votes
by (809,370 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আবূ হারূন আল-আবদী (রহঃ) থেকে বর্ণিত।
عَنْ أَبِي هَارُونَ الْعَبْدِيِّ، قَالَ كُنَّا إِذَا أَتَيْنَا أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ قَالَ مَرْحَبًا بِوَصِيَّةِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ . إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ لَنَا " إِنَّ النَّاسَ لَكُمْ تَبَعٌ وَإِنَّهُمْ سَيَأْتُونَكُمْ مِنْ أَقْطَارِ الأَرْضِ يَتَفَقَّهُونَ فِي الدِّينِ فَإِذَا جَاءُوكُمْ فَاسْتَوْصُوا بِهِمْ خَيْرًا "
তিনি বলেন, আমরা আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) -এর কাছে এলেই তিনি বলতেনঃ তোমাদের জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওসিয়ত অনুযায়ী স্বাগতম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলতেনঃ লোকেরা অবশ্যই তোমাদের অনুগামী। অচিরেই পৃথিবীর দিকদিগন্ত থেকে লোকেরা তোমাদের নিকট দ্বীনি ইলম অর্জনের জন্য আসবে। তারা যখন তোমাদের নিকট আসবে,তখন তোমরা তাদেরকে ভালো ও উত্তম উপদেশ দিবে।(সুনানু তিরমিযি-২৪৯,তিরমিযী ২৬৫০-৫১, মুওয়াত্ত্বা মালিক ২৪৭।)


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মানুষের অভ্যাস পরিবর্তন হওয়া কষ্টকর। সহজে মানুষ তার অভ্যাসকে পরিবর্তন করতে পারে না। আপনার স্বামী যদিও সে বলেছে যে, সে তার অভ্যাসকে পরিবর্তন করে ফেলবে, কিন্তু তার জন্য অভ্যাস পরিবর্তন করা অতটা সহজ হবে না। আপনার মা বাবা যদি সন্তান ভূমিষ্ট হওয়া পর্যন্ত আপনাকে তাদের নিকট থাকতে বলে, তাহলে আপনি তাদের নিকটই অবস্থান করুন। স্বামীকে বলুন, আপনার নিকট কয়েকদিনের জন্য চলে আসতে, তাহলে বুঝতে পারবেন, সে তার অভ্যাসকে পরিবর্তন করে ফেলছে কি না?


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...