জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
এক্ষেত্রে নামাজ ভেঙ্গে দেয়া জায়েজ নেই। আপনি যদি এক্ষেত্রে নামাজ ভেঙ্গে দেন, তাহলে আপনার গুনাহ হবে। এমতাবস্থায় নামাজে দাঁড়ানোর আগে তাকে নিজের কাছে বসিয়ে কোন খেলনা বা তার মনে আকর্ষণ জন্মে এমন কোন খাবার দিয়ে রাখতে পারেন। যাতে করে নামাজের টাইমে সে কান্না না করে।
(০২)
কুরআনের অসম্মানী হয়,এমন কোনো কাজ করা যাবেনা।
সেটি আদবের খেলাফ।
,
وَعَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: إِنَّ اللهَ يَرْفَعُ بِهٰذَا الْكِتَابِ أَقْوَامًا وَيَضَعُ بِه اٰخَرِينَ
উমার ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা এ কিতাব কুরআনের মাধ্যমে কোন কোন জাতিকে উন্নতি দান করেন। আবার অন্যদেরকে করেন অবনত।
(মুসলিম ৮১৭, ইবনু মাজাহ ২১৮, আহমাদ ২৩২, দারিমী ৩৪০৮, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৫১২৫, শু‘আবূল ঈমান ২৪২৮, সহীহাহ্ ২২৩৯।)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে।
ﻋﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﻦ ﻋﻤﺮ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻋﻦ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ : ( ﺃﻧﻪ ﻛﺎﻥ ﻳﻨﻬﻰ ﺃﻥ ﻳﺴﺎﻓﺮ ﺑﺎﻟﻘﺮﺁﻥ ﺇﻟﻰ ﺃﺭﺽ ﺍﻟﻌﺪﻭ؛ ﻣﺨﺎﻓﺔ ﺃﻥ ﻳﻨﺎﻟﻪ ﺍﻟﻌﺪﻭ )
রাসূলুল্লাহ সাঃ কুরআন সাথে নিয়ে শত্রু দেশে সফর করতে নিষেধ করেছেন।যাতেকরে শত্রুরা কুরআনকে নিয়ে গিয়ে কোনোপ্রকার অসম্মান না করতে পারে।(মুয়াত্তা মালিক-৫/২,মুসনাদু আহমাদ-২/৬,৬৩, সুনানু নাসাঈ-৮৫,সুনানু ইবনি মা'জাহ২৮৮০)
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে বাচ্চার মায়ের উপর তওবা করা আবশ্যক। আল্লাহর কাছে খালেস দিলে অনুতপ্ত হৃদয়ে তওবা করবে, যাতে করে আল্লাহ তায়ালা তাকে মাফ করে দেন এবং ভবিষ্যতে তিনি সতর্ক থাকবেন কোরআন তেলাওয়াতের সময় এভাবে তার বাচ্চা যেন কোনক্রমেই কুরআনের উপরে পা না দেয়, কুরআনের সাথে বাচ্চার পায়ের যেনো কোনো স্পর্শ না হয়।
(০৩)
এক্ষেত্রে আপনার মামিকে তো যাকাত দেওয়া জায়েজ নেই। আপনার মামাকে যদি যাকাত দেন, সেক্ষেত্রে তার থেকে ভালোভাবে জেনে তার সম্পদের যাবতীয় বিবরণ, তিনি কত টাকা ঋণ নিয়েছেন, সেটির যাবতীয় বিবরণ, তিনি কার কাছে কি বন্ধক রেখেছেন সেটির যাবতীয় বিবরণ কমেন্ট বক্সে উল্লেখ করলে ভালো হতো।
(০৪)
প্রশ্ন বিবরণ মতে সেই মহিলা নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক। সুতরাং তাকে যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবেনা।
(০৫)
ওযর বশত তো দেরি করলে গুনাহ হবে না। তবে বিনা ওযরে দেরি করলে গুনাহ হবে।
(০৬)
পোশাকের যাকাত আদায় করতে হবে না। তবে যদি সেটি ব্যবসার পণ্য হয়, তাহলে ব্যবসার পণ্য হিসেবে তার যাকাত আদায় করতে হবে।
(০৭)
এক্ষেত্রে সেই স্বর্ণের মালিক যে তার স্বামীকে বানিয়ে দিতে পারবে। এক্ষেত্রে স্বামীর হাতেই স্বর্ণ দিয়ে দিতে হবে এবং সে স্বর্ণে স্বামীর একচ্ছত্র মালিকানা অধিকার দিয়ে দিতে হবে।
স্বামী যখন ইচ্ছা সেই স্বর্ণ যেন বিক্রয় করতে পারে এরকম অধিকার তাকে দিতে হবে।
অন্যথায় মহান আল্লাহ তায়ালার কাছে কঠিন জবাবদিহিতার সম্মুখীন হতে হবে।