আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
14 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (62 points)
reshown by
১।আগের ২নং প্রশ্নের বেপারটা বিষয়ে ভালো করে বুঝাতে পারিনি আমি জানতে চাইছিলাম আমি জেনেশুনে মসজিদ কে বা মাঠ কে  অসম্মান করবো না যদি না   ভুলে বা বেখেয়ালে হয়ে যায় । অন্য কেউ যদি  মসজিদের বাহিরদিকে বা মাঠে    যদি গোনাহ  অন্যায় কাজ বা মাকরুহ বা জায়েজ করে ভুলে না জেনে ইচ্ছে করে যেভাবেই হোক  সেজন্য আমরা যারা গোনাহ না করার জন্য চেষ্টা করবো যদি না জেনে  ভুলে বা বেখেয়ালে হয়ে  যায়।  তাদের কারনে না জেনে বা ভুলে বা বেখেয়ালে করার জন্য  আমাদের খেলা নাজায়েজ হবে কিনা এটা জানতে চাইছিলাম?

★কমিটি থেকে অনুমতি নেওয়া হইছে
২।আগের ২নং প্রশ্নের  ঐসব জায়গায় মাকরুহে তাহরিমি করলে কি অসম্মান করা হবে, মাকরুহে তানজিহি  বা জায়েজ  কাজ করলে কি মসজিদ কে অসম্মান করা হবে এগুলো যদি না জেনে বা ভুলে বা খেয়ালে করাহয় তখন কি মসজিদ কে অসম্মান করা হবে? ?

৩।অনেকে আমাদের ব্যাটমিন্টন খেলার জন্য কেউ টাকা দিছে কেউ দিবে তাদের ইনকাম সম্পর্কে জানিনা আবার জিজ্ঞেস করতে গেলে যদি রাগ করে সেক্ষেত্রে না জিজ্ঞেস করে ব্যাবহার করলে গোনাহ হবে কি?

৪।বিদআত পন্থি আমাদের বাড়ির বেশির ভাগ মানুষ  ইমাম সাহেবও বিদআতি  অন্য এলাকার মসজিদ একটু দুরে উনার পিছনে নামাজ পড়ার বিধান কি?

৫।ব্যাঙ কাকরা খাওয়া কি হালাল

1 Answer

0 votes
by (765,990 points)
জবাবঃ-
بسم الله الرحمن الرحيم

মসজিদকে সম্মান করা এবং সকল প্রকার অহেতুক ও অপ্রয়োজনীয় কাজ নোংরা বিষয় এবং খেলাধুলা থেকে মসজিদকে মুক্ত রাখা জরুরী। এসব করা মসজিদকে অসম্মান করা।

মসজিদের সম্মান রক্ষায় কেবল তাতে আল্লাহর ইবাদত করা যাবে মর্মে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন:

فِي بُيُوتٍ أَذِنَ اللَّهُ أَن تُرْفَعَ وَيُذْكَرَ فِيهَا اسْمُهُ يُسَبِّحُ لَهُ فِيهَا بِالْغُدُوِّ وَالْآصَالِ [٢٤:٣٦]

আল্লাহ যেসব গৃহকে মর্যাদায় উন্নীত করার এবং সেগুলোতে তাঁর নাম উচ্চারণ করার আদেশ দিয়েছেন, সেখানে সকাল ও সন্ধ্যায় তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে; [সূরা নূর-৩৬]

হযরত আনাস রা.থেকে বর্ণিত এক হাদীসে রাসূল সাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

إِنَّ هَذِهِ الْمَسَاجِدَ لَا تَصْلُحُ لِشَيْءٍ مِنْ هَذَا الْبَوْلِ، وَلَا الْقَذَرِ إِنَّمَا هِيَ لِذِكْرِ اللهِ عَزَّ وَجَلَّ، وَالصَّلَاةِ وَقِرَاءَةِ الْقُرْآنِ

অর্থাৎ মসজিদ প্রসাব,নাপাকী ও আবর্জনার উপযুক্ত নয়। বরং মসজিদ হল আল্লাহ তাআলার যিকির ও কুরআন তেলাওয়াতের জন্য। {মুসলিম শরীফ হাদীস নং-২৮৫}

সুতরাং বুঝা গেল যে, মসজিদে খেলাধুলা করা জায়েজ নেই। এর দ্বারা মসজিদকে অসম্মান করা হয়। যে কারণে মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে, সেই ইবাদত ব্যতীত অন্য কাজে তা ব্যবহার করা গর্হিত অন্যায় ও মারাত্মক গোনাহের কাজও বটে।

আদবের সম্পর্ক উরফ তথা সমাজের সাথে।
যেটাকে সমাজ বেয়াদবি মনে করে,সেটা বেয়াদবি।
আর যেটাকে সমাজ আদবের মধ্যেই গননা করে,সেটা জায়েজ,আদবের মধ্যেই সেটি পড়া।
(কিতাবুন নাওয়াজেল ১৫/৬৫)
,
الأدب: ہو الطریقۃ الحسنۃ في المعاشرۃ وغیرہا۔ (بذل المجہود ۱۳؍۲۰۵ بیروت)
সারমর্মঃ সামাজিক ভাবে যেটাকে সুন্দর তরীকা বলা হয়,সেটিই আদব।

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই,
(০১)
এক্ষেত্রে যদি মসজিদ কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সেখানে খেলতে কোন নিষেধাজ্ঞা না থাকে বরং অনুমতি থাকে এবং আপনারা যদি কোন অন্যায় না করেন, তাহলে শরীয়তের গন্ডির মধ্যে থেকে আপনাদের জন্য সেখানে খেলতে কোন বাধা নেই।

জায়েজ হবে।

(০২)
এক্ষেত্রে মসজিদকে অসম্মান করা হবেনা।

(০৩)
এক্ষেত্রে যারা টাকা দিয়েছে তারা নিজেরাও যদি সেখানে খেলে, তাহলে এমতাবস্থায় আপনার সেখানে খেলতে সমস্যা নেই।

(০৪)
আকিদা শিরকী আকিদা তথা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা।যা ঈমান নিয়ে নিবে।সুতরাং এমন আকিদার কারো পিছনে নামায বিশুদ্ধ হবে না। 2915
এমতাবস্থায় অবশ্যই অন্য মসজিদে যেতে হবে।

তাছাড়া অন্যান্য বিষয়, মিলাদ কিয়াম,দাড়ি ছাটাই কবিরা গোনাহের অন্তর্ভুক্ত। 
কবিরাহ গোনাহে বরাবর লিপ্ত ব্যক্তির পিছনে নামায পড়লে নামায যদিও আদায় হয়ে যাবে।তথাপি তাদের পিছনে নামায পড়া মাকরুহ।বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন- 291

এমতাবস্থায় অন্য মসজিদে না গেলেও আপনার নামাজ শুদ্ধ হয়ে যাবে।

(০৫)
এগুলো খাওয়া জায়েজ নেই।

বিস্তারিত জানুনঃ- 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...