আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
57 views
in হজ ও উমরা (Hajj and Umrah) by (3 points)
আসসালামু আলাইকুম উস্তাদ। আমি ইনশাআল্লাহ ১৮ তারিখে ওমরায় যাচ্ছি। আমার প্রশ্ন যেটা সেটা হল যে, যদি সৌদিতে ১৮ তারিখের রোজা হয় আর বাংলাদেশে ১৯ তারিখে রোজার শুরু হয় তাহলে আমি রোজা কি বাংলাদেশের নিয়মেই রাখবো? আমার ১৮ তারিখে ভোরে ৬টায় ফ্লাইট ইন শা আল্লাহ। আর আমি ওখানে যেহেতু ঈদ ও করবো না, আমি বাংলাদেশে এসে ঈদ করব ইন শা আল্লাহ। তাহলে কি আমি বাংলাদেশের যেদিন রোজা সেদিন অনুযায়ী কি রেখে দিব একটু জানাবেন মিন ফাদ্বলিক।
আরেকটা বিষয় উস্তাদ যেটা সেটা হচ্ছে যে সকালে তো যাব এবং এর মধ্যে যে যোহর আসর মাগরিব সলাতের যে বিষয়টা এটা আমি কিভাবে মেইনটেইন করবো?যেমন আমার ফ্লাইট সকাল ৬.৫৫ তে ওখানে পৌছাবো সন্ধ্যা ৬.৩০ টায় ইন শা আল্লাহ।  যদি একটু বলতেন উস্তাদ তাহলে উপকার হতো।
একই সময় ফেরার দিন ও। তখন আমি ইফতার কোথায় কিংবা কোন সময়ে করলে ভালো হবে উস্তাদ?
আরেকটি প্রশ্ন হল বাবা যদি হাদিয়া স্বরূপ কিছু টাকা দিতে চায় উমরাহর সময়, অথচ বাবার ইনকাম হালাল নয়,সেটা কি নেয়া জায়েজ হবে উস্তাদ ? তাছাড়া আমার স্বামীও অনুমতি দেয়ার ক্ষেত্রে অনাগ্রহী। জাযাকাল্লাহ খায়ের।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
বিমান বা সফরের হালতে রোযা 
আপনি রমজানের চাদ যেই দেশে অবস্থানরত অবস্থায়  দেখবেন, সেই হিসেবেই রোযা রাখবেন। যদি ১৮ তারিখ বাংলাদেশে রোযা হয়, এবং ১৮ তারিখ আপনি বাংলাদেশে তখন অবস্থান করেন, তাহলে আপনি ১৮ তারিখ থেকেই রোযা রাখবেন।

বিমানে নামায
বিমানে সফরের পূর্বে যেভাবে জরুরী জিনিষপত্রের ব্যবস্থা পূর্ব থেকেই করে নিতে হয়, ঠিকতেমনি বিমানে সফরের পূর্বে নামাযের ওয়াক্ত সমূহকে জেনে নিতে হবে। যখন যেই দেশের উপর দিয়ে যেতে হচ্ছে, তখন সেই দেশে কয়টা বাজতেছে, এবং তখন কোন নামাযের ওয়াক্ত হচ্ছে, সেই হিসেবে নামায পড়ে নিতে হবে। হ্যা, যদি সফর পশ্চিম দিকে হয়, এবং কোনো এক নামাযকে পড়ে নেয়ার পর অন্য শহরে গিয়ে আবার সেই নামাযের ওয়াক্ত হয়ে যায়, তাহলে সেই নামাযকে পড়া জরুরী হবে না। 

নামাযের জন্য কিবলামুখী হওয়া এবং দাড়ানো শর্ত। যদি এ দু'টির কোনো একটি সম্ভব না হয়, তাহলে 'তাশাব্বুহ বিল মুসাল্লিন' তথা নামাযির সাদৃশ্য গ্রহণ করতে হবে। এবং পরবর্তীতে ঐ নামাযকে কা'যা করে নিতে হবে।

বিঃদ্রঃ
ফ্লাইটে নামাযের ওয়াক্ত সম্পর্কে জানতে এ্যপসের সাহায্য নেয়া যেতে পারে। অনেক এ্যপস রয়েছে। বিশেষত halaltrips নামাক এপসের সাহায্যও নিতে পারেন।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/4049


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...