ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
বিমান বা সফরের হালতে রোযা
আপনি রমজানের চাদ যেই দেশে অবস্থানরত অবস্থায় দেখবেন, সেই হিসেবেই রোযা রাখবেন। যদি ১৮ তারিখ বাংলাদেশে রোযা হয়, এবং ১৮ তারিখ আপনি বাংলাদেশে তখন অবস্থান করেন, তাহলে আপনি ১৮ তারিখ থেকেই রোযা রাখবেন।
বিমানে নামায
বিমানে সফরের পূর্বে যেভাবে জরুরী জিনিষপত্রের ব্যবস্থা পূর্ব থেকেই করে নিতে হয়, ঠিকতেমনি বিমানে সফরের পূর্বে নামাযের ওয়াক্ত সমূহকে জেনে নিতে হবে। যখন যেই দেশের উপর দিয়ে যেতে হচ্ছে, তখন সেই দেশে কয়টা বাজতেছে, এবং তখন কোন নামাযের ওয়াক্ত হচ্ছে, সেই হিসেবে নামায পড়ে নিতে হবে। হ্যা, যদি সফর পশ্চিম দিকে হয়, এবং কোনো এক নামাযকে পড়ে নেয়ার পর অন্য শহরে গিয়ে আবার সেই নামাযের ওয়াক্ত হয়ে যায়, তাহলে সেই নামাযকে পড়া জরুরী হবে না।
নামাযের জন্য কিবলামুখী হওয়া এবং দাড়ানো শর্ত। যদি এ দু'টির কোনো একটি সম্ভব না হয়, তাহলে 'তাশাব্বুহ বিল মুসাল্লিন' তথা নামাযির সাদৃশ্য গ্রহণ করতে হবে। এবং পরবর্তীতে ঐ নামাযকে কা'যা করে নিতে হবে।
বিঃদ্রঃ
ফ্লাইটে নামাযের ওয়াক্ত সম্পর্কে জানতে এ্যপসের সাহায্য নেয়া যেতে পারে। অনেক এ্যপস রয়েছে। বিশেষত halaltrips নামাক এপসের সাহায্যও নিতে পারেন।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/4049