ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আপনি/আপনারা ধৈর্য্য সহকারে পরিস্থিতির মুকাবেলা করুন। নামায ও ধৈর্য্যর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন।
وَاسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ ۚ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ
ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব।(সূরা বাকারা-৪৫)
আল্লাহ তা'আলা বলেন,
ﻳَﺎ ﺃَﻳُّﻬَﺎ ﺍﻟَّﺬِﻳﻦَ ﺁﻣَﻨُﻮﺍْ ﺍﺻْﺒِﺮُﻭﺍْ ﻭَﺻَﺎﺑِﺮُﻭﺍْ ﻭَﺭَﺍﺑِﻄُﻮﺍْ ﻭَﺍﺗَّﻘُﻮﺍْ ﺍﻟﻠّﻪَ ﻟَﻌَﻠَّﻜُﻢْ ﺗُﻔْﻠِﺤُﻮﻥَ
হে ঈমানদানগণ! ধৈর্য্য ধারণ কর এবং মোকাবেলায় দৃঢ়তা অবলম্বন কর। আর আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা তোমাদের উদ্দেশ্য লাভে সামর্থ হতে পার।(সূরা আলে ইমরান-২০০)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) হ্যা, রিজেক্ট করার অধিকার আপনার রয়েছে। তবে সার্বিক দিক বিবেচনা করা ও মাতাপিতার প্রতি সহমর্মিতা প্রদর্শন করা উচিত।
(২) খালার জোরাজুরি উচিত নয়।
(৩)
আপনি তাহাজ্জুদ নামায পড়ে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতেই থাকবেন। একাধারে ৭ দিন ইস্তেখারা করবেন। তারপর মাতপিতার সাথে পরামর্শ করে তাদের সম্মতি নিয়েই হ্যা বা না বাচক সিদ্ধান্ত নিবেন।