আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
48 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (62 points)
আসসালামু আলাইকুম
১। যদি কোনে অমুসলিম ডাক্তার দিয়ে ডকুমেন্টস সত্যায়িত করা হয় বা তাদের সিল সই থাকে এরকম কাগজ পত্র সেগুলো কি কোনো কাজে ব্যাবহার করা যাবে এবং ইসলামি বই বা কোনো কিছুর সাথে উচু স্থানে রাখা যাবে কি? কোনো ধরনের গোনাহ হবে কি ইমানের ক্ষতি হবে কি?

২।গায়ে প্রসাব লাগলে ঘসা মাজা না করে ৫ - ৬ বার পানি ঢাললে কি পাক হয়ে যাবে?
৩।সফর দুরত্বে কতদিন থাকতে হবে জানিনা বাবা অসুস্থ আপার কাছে আছে ঐখানে থাকবে। আমার কতদিন থাকতে হবে জানিনা কতদিন থাকমু নিয়ত নাই। যদি আমি বাড়িতে যাই আবার যদি ১৫  দিনের কম থাকার নিয়ত  করি তাহলে কি মুসাফির হবো? আবার যদি বেশী দিন থাকার নিয়ত করে ১ মাস পরে বাড়িতে গিয়ে  আবার সফর দুরত্ব যাওয়ার সময়  ১৫ দিনের কম  থাকার নিয়ত করি তাহলে কি মুসাফির হবো?

1 Answer

0 votes
by (808,470 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১)
প্রশ্নের বিবরনমতে কোনো গোনাহ হবে না।

(২)
গায়ে প্রসাব লাগলে ঘসা মাজা না করে ৫ - ৬ বার পানি ঢাললে শরীর পাক-পবিত্র হয়ে যাবে।

(৩)
من جاوز بيوت مصره مريدًا سيرًا وسطًا ثلاثة أيّامٍ في برٍّ أو بحرٍ أو جبلٍ قصر الفرض الرّباعيّ فلو أتمّ وقعد في الثّانية صحّ وإلّا لاحتّى يدخل مصره أو ينوي إقامة نصف شهرٍ ببلدٍ أو قريةٍ لا بمكّة ومنًى وقصر إن نوى أقلّ منه أو لم ينو وبقي سنين أو نوى عسكرٌ ذلك بأرض الحرب، وإن حاصروا مصرًا أو حاصروا أهل البغي في دارنا في غيره
যে ব্যক্তি তার নিজ শহরের বসতবাড়িকে তিন দিনের দূরত্ব পরিমাণ সফরের নিয়তে ত্যাগ করবে,সে মুসাফির হিসেবেই গণ্য হবে।জলে,স্থলে,পাহাড়ে যেকোনো স্থানেই সফর শুরু করুক না কেন?
তখন চার রা'কাতি নামাযে দু'রাকাত করে পড়বে।তবে যদি কেউ চার রা'কাত পড়ে নেয়,এবং চার রা'কাতের মাথায় শেষ বৈঠক করে নেয়,তাহলে তখন নামায বিশুদ্ধ হবে।(প্রথম দু রা'কাত ফরয এবং শেষ দু রা'কাত নফল হিসেবে গণ্য হবে।)যতক্ষণ না সে নিজ শহরে প্রবেশ করছে বা তথায় সু-নির্দিষ্ট ভাবে পনের দিন অবস্থানের নিয়ত করছে।
(কানুযদ-দাক্বাইক-১/১৭৮)

কোনো জায়গায় ১৫ দিন বা ততধিক অবস্থানের নিয়ত করলে সে সেখানে মুকিম হয়ে যাবে। সেখান থেকে সামানা-পত্রসহ প্রস্থানের আগ পর্যন্ত সেখানে পূর্ণ নামাজ পড়বে এবং মুকিমের বিধান জারি থাকবে- (বাদায়েউস সানায়ে ১/১০৪)।

কেউ কোন এক গ্রামে লাগাতার পনের দিন থাকার নিয়ত না করলে মুসাফিরই থাকবে। তাই একাকী নামায পড়লে বা নিজেরা নামায পড়লে কসর আদায় করতে হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7745

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মুসাফির অবস্থায় ১৫ দিনের সুনির্দিষ্ট অবস্থানের নিয়ত ব্যতিত মুসাফির ব্যক্তি মুকিম হয় না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...