আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
72 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (51 points)
edited by
আমার ছোট ভায়ের বয়স প্রায় ১৮ বছর।আমার আব্বুর উপার্জন হারাম।তিনি সুদের ব্যবসা করেন।বর্তমানে আমার ছোট ভাই আট হাজার টাকার বেতন এর চাকরি করছে।শরীয়ত অনুযায়ী ওর নিজের খরচ এখন নিজের বহন করতে হবে।ওর বেতন এর টাকা থেকে ঘরে কিছু টাকা দিবে ওর খাবার খরচ হিসেবে এবং বাকি টাকা ইসলামিক কোন ব্যাংক একাউন্টে রেখে দিতে চাচ্ছি যেন কিছু টাকা জমলে ভাই সেটা দিয়ে হালাল ব্যবসা করতে পারে।আমাদের রিজিক যেন ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ হালাল হয়ে যায়।আব্বুও হঠাৎ কখনো  হালাল ভাবে কিছু উপার্জন করেন।

ব্যাংকে কারেন্ট একাউন্ট খুললে ওরা চার্জ কাটবে একাধিক বিষয়ে।আমার ভাই অনেক কষ্ট করে এই টাকা উপার্জন করে তার মধ্যে ব্যাংক যদি নানা কারণে চার্জ কাটে এটা মানা আমার জন্য কষ্ট সাধ্য।এখন প্রশ্ন হচ্ছে অবশিষ্ট টাকার জন্য ইসলামিক ব্যাংকে এমন একাউন্ট খোলা যাবে যেখানে হয়তো একাউন্টের মেয়াদ শেষে কিছু লাভ দেওয়া হবে যা  সাধারণত সুদ।আমরা সেই সুদের টাকা গরীব কোন মানুষকে দিয়ে দিব এই নিয়ত করে কি নিদিষ্ট মেয়াদের একাউন্ট খুলতে পারবো ভায়ের জন্য?

ঘরে টাকা রাখাটা সেইফ না দেখা যাবে অযথা কারণে টাকা খরচ হতে পারে।

এই আট হাজার টাকার মূল্য আমার কাছে অনেক কারণ এটি হালাল টাকা।আমি এই আশা রাখি আল্লাহ আমাদের রিজিক হালাল করে দিবেন ইন শা আল্লাহ।ভায়ের এই সামান্য আয় থেকে কিছু টাকা জমিয়ে হালাল কোন ব্যবসা করলে সেখান থেকে কিছুটা হালাল টাকা আসবে যা আমার পরিবারের জন্য ব্যয় হবে।হয়তো ২-৩ বছর কমবেশি সময় টাকা জমিয়ে হালাল কিছু একটা করার চেষ্টা করা হবে  ইন শা আল্লাহ বা সম্ভব হলে এর আগেই কোন কিছু করার চেষ্টা করা হবে।
শায়েখ এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমার পরিকল্পনা অনুযায়ী যদি কাজ করি  এতে কি আমার গুনাহ হবে?
ভায়ের এই আট হাজার টাকা ঠিক কিভাবে ব্যয় করলে আমার ভাই ও পরিবারের জন্য  উত্তম হবে নসিহা করবেন ইন শা আল্লাহ।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
বর্তমান সময়ে বাসায় টাকা-পয়সা রাখা অনেকটা অনিরাপদ।অন্যদিকে সুদ হারাম,এবং সুদী কাজে সাহায্য করাও হারাম।
তাই বলা যায় যে,এসমস্ত ব্যাংকে সেভিংস একাউন্টে টাকা রাখা যাবে না। কেননা তখন ব্যাংক কর্তৃত আইনগতভাবে উক্ত টাকা সুদী কারবারে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদিও ব্যাংক চাহিবামাত্র গ্রাহককে উক্ত টাকা দিতে বাধ্য থাকে। এজন্যই উলামায়ে কেরাম পরামর্শ দেন যে,উক্ত ব্যাংক সমূহে কারেন্ট একাউন্ট খুলে টাকা রাখতে হবে। কেননা কারেন্ট একাউন্টের টাকা আইনগতভাবে ব্যাংক ব্যবহার করতে পারেনা। যদি কোনো কারণে ঐ সব সুদী ব্যাংক সমূহে কারেন্ট একান্ট খুলা দুস্কর হয়ে যায়, তাহলে সুদ গ্রহণ না করার শর্তে তাতে সেভিংস একাউন্ট খুলে  টাকা রাখা যাবে।উলামায়ে কেরাম এ অনুমোদন দিয়েছেন।সুদী ব্যাংকে একাউন্ট খুলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-https://www.ifatwa.info/753

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
যেকোনো ব্যাংকে একাউন্ট খুলতে পারবেন।সেভিংস একাউন্ট খুলার পর যদি সুদ আসে, তাহলে উক্ত সুদকে সদকাহ করে দিতে হবে। সুতরাং প্রশ্নের বিবরণমতে ইসলামী ব্যাংকের সেভিংস একাউন্টে টাকা রাখতে পারবেন। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...