আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
71 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (8 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
স্ত্রীর ব্যাপারে স্বামীর গায়রতের বহু উদাহরণ বইপত্রে পড়েছি। স্বামীর ব্যাপারে স্ত্রীর গায়রত কেমন হওয়া উচিত?
স্বামীকে তার নারী বান্ধবীদের থেকে দূরে থাকতে বলাটা কি অন্যায়?
সন্দেহ নেই তিনি আমায় ভালোবাসেন, তার নারী কলিগ,বান্ধবীদের সাথে তার সম্পর্ক নিয়েও সন্দেহ পোষণ কারিনা আমি মনে
কিন্তু,প্রোগ্রামে গিয়ে নারী কলিগ বা নারী বান্ধবীদের সাথে অপ্রয়োজনে ছবি তুলা,হাসিহাসি করা এসব দেখলে আমার খারাপ লাগে।
তাকে নিষেধ করলে বলে সে,নবী বা ওলি হতে পারবেনা, কারণ এখন নবী যুগ না। ওলিদের উদাহরণ যেনো তাকে না শুনাই। তাকে আমি ঘরবন্দী থাকতে বলি নাকি! তাকে সন্দেহ করি নাকি। তার মন ফ্রেশ। আমারই সমস্যা, আমি নাকি অতিরিক্ত কঠোর। মেয়ে বান্ধবী, কলিগদের সাথে ছবি তুলা,একসাথে অফিস থেকে ট্যুরে ঘুরাঘুরি,বিয়ে-অনুষ্ঠানে যাওয়া এসবই স্বাভাবিক ব্যাপার। সমাজে তার বয়সী বহু ছেলে পরক্রীয়া করে,বউ থাকতেও মেয়ে বেস্ট ফ্রেন্ড নিয়ে পার্টি করে, রাতভর আড্ডা দেয়,সে তো তা করেনা। আমিই ন্যারোমাইন্ডেট। আমি কি বুঝি সামাজিকতার,থাকি ২৪ ঘন্টা ঘরে,নাই কোনো বন্ধ বান্ধবী, না পাবলিক ভার্সিটিতে পড়েছি,উল্টো সহশিক্ষা ছেড়ে বসে আছি..

আচ্ছা,
আমি কি সত্যিই ভুল করি তাকে পরনারীর সাথে দেখে কষ্ট পেয়ে? বা তাকে তাদের পাশে দাড়িয়ে ছবি তুলতে নিষেধ করে? জরুরত ছাড়া হাসাহাসি,যোগাযোগ না করতে।
আমার মনে যন্ত্রণা চলতে থাকে যখন তাকে অন্য নারীদের সাথে দেখি,কিংবা সে আমার কাছে এসে অন্য নারীর এমন বিষয় প্রশংসা করে যা তার গুণ বা যোগ্যতায় সে পায়নি বরং রব প্রদত্ত (উচ্চতা,গায়ের রং,গলার স্বর)
এটা কি আমার গায়রত নাকি সে যে বলে বাড়াবাড়ি, এটাই ঠিক?
ইসলাম কি বলে এই বিষয়ে?

1 Answer

0 votes
by (805,830 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
وَاسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَالصَّلَاةِ ۚ وَإِنَّهَا لَكَبِيرَةٌ إِلَّا عَلَى الْخَاشِعِينَ
ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব।(সূরা বাকারা-৪৫)


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
প্রথমে আপনাকে বলবো,  ধৈর্য্য সহকারে পরিস্থিতির মুকাবেলা করার এবং পরিবারের মন পরিবর্তন হওয়ার জন্য আপনি দু'আ করতে থাকুন।  তাহাজ্জুদের নামায পড়ে আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যেভ দু'আ করুন।এটাই আপনার জন্য অধিক কল্যাণজনক হবে। স্বামীর সাথে সর্বদা আপন করে কথাবার্তা বলুন। 

আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ 
ﺍﺩْﻉُ ﺇِﻟِﻰ ﺳَﺒِﻴﻞِ ﺭَﺑِّﻚَ ﺑِﺎﻟْﺤِﻜْﻤَﺔِ ﻭَﺍﻟْﻤَﻮْﻋِﻈَﺔِ ﺍﻟْﺤَﺴَﻨَﺔِ ﻭَﺟَﺎﺩِﻟْﻬُﻢ ﺑِﺎﻟَّﺘِﻲ ﻫِﻲَ ﺃَﺣْﺴَﻦُ ﺇِﻥَّ ﺭَﺑَّﻚَ ﻫُﻮَ ﺃَﻋْﻠَﻢُ ﺑِﻤَﻦ ﺿَﻞَّ ﻋَﻦ ﺳَﺒِﻴﻠِﻪِ ﻭَﻫُﻮَ ﺃَﻋْﻠَﻢُ ﺑِﺎﻟْﻤُﻬْﺘَﺪِﻳﻦَ
আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহবান করুন হেকমত তথা জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও নরমভাবে উপদেশ শুনিয়ে, এবং তাদের সাথে বিতর্ক করুন পছন্দ যুক্ত পন্থায়। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষ ভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে।(সূরা নাহল-১২৫)


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...