আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
স্ত্রীর ব্যাপারে স্বামীর গায়রতের বহু উদাহরণ বইপত্রে পড়েছি। স্বামীর ব্যাপারে স্ত্রীর গায়রত কেমন হওয়া উচিত?
স্বামীকে তার নারী বান্ধবীদের থেকে দূরে থাকতে বলাটা কি অন্যায়?
সন্দেহ নেই তিনি আমায় ভালোবাসেন, তার নারী কলিগ,বান্ধবীদের সাথে তার সম্পর্ক নিয়েও সন্দেহ পোষণ কারিনা আমি মনে
কিন্তু,প্রোগ্রামে গিয়ে নারী কলিগ বা নারী বান্ধবীদের সাথে অপ্রয়োজনে ছবি তুলা,হাসিহাসি করা এসব দেখলে আমার খারাপ লাগে।
তাকে নিষেধ করলে বলে সে,নবী বা ওলি হতে পারবেনা, কারণ এখন নবী যুগ না। ওলিদের উদাহরণ যেনো তাকে না শুনাই। তাকে আমি ঘরবন্দী থাকতে বলি নাকি! তাকে সন্দেহ করি নাকি। তার মন ফ্রেশ। আমারই সমস্যা, আমি নাকি অতিরিক্ত কঠোর। মেয়ে বান্ধবী, কলিগদের সাথে ছবি তুলা,একসাথে অফিস থেকে ট্যুরে ঘুরাঘুরি,বিয়ে-অনুষ্ঠানে যাওয়া এসবই স্বাভাবিক ব্যাপার। সমাজে তার বয়সী বহু ছেলে পরক্রীয়া করে,বউ থাকতেও মেয়ে বেস্ট ফ্রেন্ড নিয়ে পার্টি করে, রাতভর আড্ডা দেয়,সে তো তা করেনা। আমিই ন্যারোমাইন্ডেট। আমি কি বুঝি সামাজিকতার,থাকি ২৪ ঘন্টা ঘরে,নাই কোনো বন্ধ বান্ধবী, না পাবলিক ভার্সিটিতে পড়েছি,উল্টো সহশিক্ষা ছেড়ে বসে আছি..
আচ্ছা,
আমি কি সত্যিই ভুল করি তাকে পরনারীর সাথে দেখে কষ্ট পেয়ে? বা তাকে তাদের পাশে দাড়িয়ে ছবি তুলতে নিষেধ করে? জরুরত ছাড়া হাসাহাসি,যোগাযোগ না করতে।
আমার মনে যন্ত্রণা চলতে থাকে যখন তাকে অন্য নারীদের সাথে দেখি,কিংবা সে আমার কাছে এসে অন্য নারীর এমন বিষয় প্রশংসা করে যা তার গুণ বা যোগ্যতায় সে পায়নি বরং রব প্রদত্ত (উচ্চতা,গায়ের রং,গলার স্বর)
এটা কি আমার গায়রত নাকি সে যে বলে বাড়াবাড়ি, এটাই ঠিক?
ইসলাম কি বলে এই বিষয়ে?