আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
33 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (21 points)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু হুজুর।  আমি গত পরশু রাত মানে প্রথম সেহেরির রাত তাহাজ্জুদ এর আগের সময় স্বপ্নে দেখলাম আমাদের এলাকার একটা রাস্তা রাত বা সন্ধ্যাবেলা আমি, আমার মা, আমার চাচি কোথাও যাচ্ছি, চাচির হাত এ একটা পেস্ট কালার লাগেজ। আমার চাচা থাকতেও পারে ঠিক খেয়াল নেই। তো আমি সবার সামনে, আমার মা আমার পিছনে তার পিছনে আমার চাচি হেটে যাচ্ছি। সারিবদ্ধভাবে না নরমালি আগে পিছে যাচ্ছি। তো এমন অবস্থায় আমার ফোনের কাচ টা ফাটা দেখি,আমার মা পিছন থেকে আরও ৩/৪ টা ভালো আপার কভার দেয় লাগানোর জন্য,,এতগুলো কেন দিল বুঝলাম না।পরে ফাটা কভার টা আমি রাস্তার সাইডে ফেলে দেই, রাস্তার পাশে একটা পুকুর আছে বাস্তবে, আমি স্বপ্নেও জানি ওই সাইডেই ফেলেছি তবে পুকুর টা সেইরকম ভাবে ফোকাস এ ছিল না। তো আমি ওই দিকে ফাটা  কভার টা ফেলি ঠিকই বাট পরে দেখি একটা কাচের জগ বা মিডিয়াম সাইজ এর জার হয়তো ভাঙা। আমি কিছুক্ষণ তাকাইছিলাম তারপর চলে গেলাম। তারপর দেছি দিনের বেলা আমি একটা মন্দির এ গেছি কিছু একটা আনতে।আমি নওমুসলিম।কেউ এখনও জানে না। তো  মন্দির টা এমন যে সিড়ি দিয়ে অনেকটুকু উঠে গেইট, গেইট এ দু তিন জন দাড়াতে পারবে এমন জায়গা, তারপর আবার সিড়ি দিয়ে নিচে নেমে তারপর মেইন মন্দির। তো আমি যখন নিআে নামতে ছিলাম কয়েকটা ছেলে, মনে হলো বকাটে,,, ওখানে বসে ছিল,, আমি চিনি না। তো আমায় সাইড দিল, আমি কি যেন একটা নিয়ে এসে দ্রুত চলে যেতে সিড়ির দিকে গেলাম,তখন মন্দিরে খুব লোক সামাগম, রঙ ছুরাছুরি হচ্ছে,, সিড়ির কাছে গিয়ে ছেলেদের বললাম একটু সাইড দিন, তার দেয়াল গেসে উঠছিলাম যাতে শরীরে টাস না লাগে। তো ওই যে দু তিন জন দাড়ানোর মতো জায়গায় যখন পৌছাই আমার সামনে একটা ছোট ছেলে বাচ্চা কে ওদের মধ্যে একজন ধরে বাচ্চা টার চুল এ গিট দিয়ে মন্দিরের দরজার একটা আঙটায় ঝুলিয়ে দিছে, বাচ্চা টা কাদছে না, হেল্প ও চায় নাই,শুধু ূাড়ায় আছে,,আর কারো ফেইস আমি স্পষ্ট দেখি নি। তো আমি বাচ্চা টা কে ধরে আছি ছেড়ে৷ দিলেই ওর চুল ছিড়ে যাবে আঙটা টা থেকে আর ও পরে যাবে সিউর,, ও যাতে না পরে আমি ধরে আছি। আর আমি যাতে হাত ফসকাই ফেলি ছেলে গুলো আমার ডান পাশে ছিল বা পাশে দেয়াল আমার। তো পরা আমার ডান বাহুতে টাস করছে, মানে আমাকে আনকমফরটেবল করতেছে যাতে আমার বা হাত ছুটে যায় আর বাচ্চা টা ছেড়ে দেই। আমি ছাড়ছি না আবার ধরে রাখাও কষট। আমার লাগলো আমি ঘুমের মধ্যেও ওদের টাচ বুঝতে পারছি, যেন আমার ডান সাইড টা অবস হয়ে যাচ্ছে, পরে সাথে সাথে ঘুম ভেঙে যায়।

এর ব্যাখ্যা কি হুজুর। করনীয় কি আমার।

1 Answer

0 votes
by (806,940 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
خير لنا و شر علي أعدائنا والحمدلله رب العالمين
(ভালো আমাদের জন্য,খারাপ আমাদের শত্রুদের জন্য,সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার।)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَال: (الرُّؤْيَا ثَلاثٌ : فَبُشْرَى مِنَ اللَّهِ ، وَحَدِيثُ النَّفْسِ ، وَتَخْوِيفٌ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِنْ رَأَى أَحَدُكُمْ رُؤْيَا تُعْجِبُهُ فَلْيَقُصَّ إِنْ شَاءَ وَإِنْ رَأَى شَيْئًا يَكْرَهُهُ فَلا يَقُصَّهُ عَلَى أَحَدٍ وَلْيَقُمْ يُصَلِّي ) 
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ স্বপ্ন তিনি প্রকার। (১) আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ, (২) বান্দার মনের খেয়াল এবং (৩)শয়তানের পক্ষ থেকে ভীতি প্রদর্শনমূলক কিছু। অতএব তোমাদের কেউ পছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে তা ইচ্ছা করলে অপরের কাছে ব্যক্ত করতে পারে। আর সে অপছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে যেন তা ব্যক্ত না করে এবং উঠে নামায পড়ে।( সহীহ বুখারী-৭০১৭) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/734

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনার জন্য করণীয় হল, বেশী বেশী দান সদকাহ করা এবং সকল প্রকার নফল ইবাদতে যথাসাধ্য মনযোগী হওয়া। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...