আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
69 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (51 points)
السلام عليكم و رحمة الله و بركاته

[এক বোনের প্রশ্ন]

মেয়েলি একটা বিষয়ে মাসয়ালা জানা জরুরি ছিলো শাইখ।

১.আমার লজ্জাস্থানের ভিতরের অংশ(মাসিকের রাস্তা) ঝুলে গিয়েছে নিচের দিকে।রোজা অবস্থায় ইস্তিঞ্জা করার সময় আমার খুব আশংকা হয় হয়ত পানি ভিতরে চলে যায় আর এমন হলে তো রোজা ভেঙে যাবে।তারউপর আরেকটা বিষয় হলো-আমার স্রাবের সমস্যা আছে। অযুর আগে লজ্জাস্থানের  ভিতরে পরিষ্কার করা লাগে। এখন ওইটাও করতে খুব ভয় লাগে।

আমি কিভাবে কী করবো বুঝতে পারছি না।আমার গতকালকের রোজাটা আদায় হয়েছে কিনা তাও আমি জানি না।

২.রোজা অবস্থায় ভুলে একটা ছোলাবুট খেয়ে ফেলেছিলাম।আমি যতটুকু জানি ভুলে খেলে রোজা ভাঙে না।কিন্তু সমস্যা বেধেছে এর পর।হঠাৎ করে আমার অনুভূত হলো মুখে হয়ত কিছু আছে।আর আমি তা গিলে ফেলি ইচ্ছাকৃতভাবে।তা পরিমাণে সামান্য ছিলো।রোজা কি ভেঙে গিয়েছে?

৩.সালাতের কিরাতে ১ আলিফ টানের জায়গায় না টানলে  কি লাহনে জলি হয়ে সালাত ভেঙে যায়?

৪.কুরআন তিলওয়াতে কোনো শব্দে একটু ভুল পড়ে সাথে সাথে আবার শুদ্ধ করে নিয়ে তার পরের শব্দ থেকে পড়বো নাকি আবারো আয়াতের প্রথম থেকে পড়তে হবে?

1 Answer

0 votes
by (763,500 points)
জবাবঃ- 
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

(০১)
আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রাযি. থেকে বর্ণিত-

ذكر عنده الوضوء من الطعام، قال الأعمش مرة والحجامة للصائم، فقال : إنما الوضوء مما يخرج وليس مما يدخل، وإنما الفطر مما دخل وليس مما خرج.

শরীর থেকে (কোনো কিছু) বের হলে অযু করতে হয়, প্রবেশ করলে নয়। পক্ষান্তরে রোযা এর উল্টো। রোযার ক্ষেত্রে (কোনো কিছু শরীরে) প্রবেশ করলে রোযা ভেঙ্গে যায়, বের হলে নয়।

(আল মাজমু‘, ৬/৩১৭ ,ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৪; রদ্দুল মুহতার ২/৪০২)

ফাতাওয়ায়ে শামীতে রয়েছে-

ولو بالغ في الاستنجاء حتی بلغ موضع الحقنۃ فسد

সারমর্মঃ  যদি ইস্তেঞ্জার ক্ষেত্রে মুবালাগাহ করা হয়,এমনকি হাকনার স্থান পর্যন্ত পৌছে যায়,তাহলে রোযা ভেঙ্গে যাবে। (ফাতাওয়ায়ে শামী , ৩/২২৯)

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে পর্যাপ্ত পরিমান পানি দিয়ে যোনির বাহিরের অংশ ভালোভাবে ধুয়ে নিলেই যথেষ্ট। 

ভিতরের অংশে আঙ্গুল প্রবেশ করিয়ে ধোয়া আবশ্যক নয়।

এমতাবস্থায় একটি আঙ্গুল ব্যবহার করাই যথেষ্ট।

(০২)
প্রশ্নের বিবরণ মতে আপনার রোজা ভেঙ্গে যায়নি।

(০৩)
না,এতে নামাজ ভেঙ্গে যায়না।

(০৪)
শুদ্ধ করে নেয়ার পর এক্ষেত্রে তার পরের শব্দ থেকে পড়বেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...