জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
(০১)
সেহরি খাওয়ার জন্য পবিত্র হওয়া শর্ত নয়।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুনুবি (নাপাক) অবস্থায় সেহরি (সাহুর) গ্রহণ করেছেন বলে একাধিক হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে এবং এটাও প্রমাণিত হয়েছে যে, তার আগে তিনি ওজু করে নিতেন।
এ অবস্থায় সেহরি খেলে ফজর নামাজের জন্য ফজর নামাজের পূর্বে গোসলের মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জন করে নিতে হবে।
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,
উম্মুল মোমিনীন আয়েশা রা. বর্ণিত হাদিস:
ﻛﺎﻥ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭ ﺳﻠﻢ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻓﻲ ﺭﻣﻀﺎﻥ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﺣﻠﻢ، ﻓﻴﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ
“রমজান মাসে স্বপ্নদোষ ব্যতীতই অপবিত্র অবস্থায় (অর্থাৎ স্ত্রী সহবাসের মাধ্যমে নাপাক অবস্থায়) রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজর হয়ে যেত। অত:পর তিনি গোসল করে রোজা রাখতেন।”
[সহিহ বুখারি : ১৮২৯ ও মুসলিম : ১১০৯।]
রাসুলের অপর স্ত্রী উম্মুল মোমিনীন উম্মে সালামা রা. বর্ণনা করেন:
ﻛﺎﻥ ﻳﺪﺭﻛﻪ ﺍﻟﻔﺠﺮ ﻭﻫﻮ ﺟﻨﺐ ﻣﻦ ﺃﻫﻠﻪ ﺛﻢ ﻳﻐﺘﺴﻞ ﻭﻳﺼﻮﻡ.
“সহবাসের ফলে নাপাকি অবস্থায় রাসুল সাল্লাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজর করে ফেলতেন। অত:পর গোসল করে রোজা রাখতেন।
[সহিহ বুখারি: ১৯২৬]
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আপনার স্বামী যদি ফরজ গোসল না করে রোযা রাখে, সেক্ষেত্রেও তার রোযা আদায় হয়ে যাবে।
ফজরের সময় গোছল না করে যোহরের সময় করলেও তার রোযা হবে, এজন্য রোযা বাতিল হয়ে যাবেনা।
উল্লেখ্য এক্ষেত্রে ইচ্ছাপূর্বক ভাবে ফজর নামাজ কাজা করার গুনাহ আপনার স্বামীর হবে।
আরো জানুনঃ-
এক্ষেত্রে আপনার স্বামী যদি আপনাকে কাছে ডাকে, আপনি যদি উপরোক্ত কারণে তার কাছে না যান, সেক্ষেত্রে আপনার গুনাহ হবে।
(০২)
জায়েজ হবেনা।
এক্ষেত্রে মাহরাম পুরুষ ছাড়া সফরের গুনাহ হবে।
(০৩)
এক্ষেত্রে আপনার বেপর্দার গুনাহ হবে। তবে সেই নামাজ পুনরায় আদায় করতে হবে না,তার কাজা আদায় করতে হবেনা।
(০৪)
এক্ষেত্রে আপনার মিথ্যা বলার গুনাহ হবে।
(০৫)
হ্যাঁ, জায়েজ হবে।