আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
92 views
in পবিত্রতা (Purity) by (7 points)

 আবারও প্রশ্ন করার জন্য আমি মাফ চেয়ে নিচ্ছি। নামাজের মত বিষয়ে ভাল ভাবে না জেনে আমি কোন ভাবেই শান্ত হতে পারছি না। এবং আমি আশংখা করছি যে আমার পূর্বের বর্ণনাতে কমতি থাকতে পারে ফলে ফাতওয়াতে এর প্রভাব পরতে পারে। অনুগ্রহ করে উত্তর দিয়েনঃ
https://ifatwa.info/138354  এখানেই আমি উল্লেখ করেছি যে, আমার প্রায় সারা বছরই সাদা স্রাব থাকে কম বেশি(হায়েজের পরের ১০/১৫ দিন পরিমানে অনেক থাকে এবং চেক করলে প্রায় বার বার ভিজা পাই এবং হায়েজের আগের ৭ দিনের মত কম থাকে কিছুটা।এই সময়ে মাঝে মধ্যে এক ওয়াক্তের পর আরেক ওয়াক্তের অজু করতে গেলে লজ্জাস্থান পুরো শুকনাই পাই মনে হয়।যদিও সেটা খুব বিরল )।কিন্তু সম্ভবত আমি মাজুর না।
"সম্ভবত আমি মাজুর না" বলেছি কারনঃ আমি অনেকবার অনেক ওয়াক্ত চেক করেছি মাজুর কিনা দেখার জন্য।দেখা গেছে ,ছোট সুরা দিয়ে ৪ রাকাত নামাজ পরতে যে সময় আমার লাগে তার চেয়ে কম সময় পর পর বার বার চেক করে পুরা ওয়াক্তই ল্যবিয়া মাইনরার গোঁড়া তে পানির কনার মত পেয়েছি বা একদম অনেকখানি ভেজা পেয়েছি বা ওয়াক্তের একদম শেষ কয়েক মিনিট আগে একদম শুকনা পেয়েছি ।

****যদিও স্রাব কখনো ল্যবিয়া মাইনরার চামড়ার বাইরে আসে না সাধারনত,সেটা স্রাব অনেক বেশি হওয়ার দিনগুলোতে হোক বা কম হওয়া  দিনগুলোতে হোক। যদি অনেক লম্বা সময় যেমন ১/২ ওয়াক্ত  যাবত পরিস্কার না করি তখন চামড়ার বাইরে আসে বা কাপরে লেগে যায়।

দেখা যায় যে আমি নামায পড়ার আগে ভাল করে লজ্জাস্থান মুছে শুকনা করে নিলাম এবং অজু করে নামাজ পরলাম।সালাম ফিরে সাথে সাথে হাত দিয়ে চেক করলে

  • কখনো জেলির মত সাদা বা কখনো বর্ণহীন স্রাব পাওয়া যায়
  • মাঝে মাঝে পিচ্ছল তরল পাওয়া যায়
  •  আবার কখনো শুধু পানির মত তরল পাওয়া যায় কোন গন্ধ ও নাই
  • আবার কখনো শুধু জায়গাটা হাল্কা ভেজা ভাব মনে হয় কিছুটা আঠালো হতেও পারে আবার কখনো নাও পারে এমনি ভেজা ভাব থাকে।
  • মাঝে মাঝে একদমই শুকনা পাই।
  • আবার কখনো যোনিমুখ ও শুকনা পাই কিন্তু ল্যবিয়া মাইনরার গোঁড়াতে হাল্কা পানির কনার মত পাওয়া যায়।

    কিন্তু সমস্যা হল নামাজের মধ্যে এগুলা কখন বের হয় বেশিরভাগ সময়ই আমি কিছু টের পাই না।তাই আমাকে প্রতি নামাযে সালাম ফিরে বার বার চেক করতে হয়।
    আগের ফাতওয়াতে আমাকে বলা হয়েছিলো,
    " (০১)

    শুধু স্পষ্ট বের হচ্ছে যখন অনুভব করবেন বা স্পষ্ট ভেজা অনুভব করবেন বা প্রবল ধারণা হনে,তখনই চেক করব এবং বাকি সময় চেক না করেই নামাজ চালিয়ে যাবেন। " 

    এবং লজ্জাস্থানের কততুকু পর্যন্ত আসলে চেক করা উচিত? প্রশ্নে বলা হয়েছে, 

    "(০৫)

    আপনি দেখবেন যে লজ্জাস্থানের সীমানা হতে বাহিরে স্রাব বের হয়েছে কিনা।"


    ঃ নামাজের মধ্যে এগুলা কখন বের হয় বেশিরভাগ সময়ই আমি কিছু টের পাই না।কিন্তু অনেক দিন যাবত বার বার চেক করার ফলে পূর্বের রেকর্ড থেকে আমার সবসময়ই প্রবল ধারনা থাকে যে, আমার কিছু না কিছু বের হয়েছেই।এবং এটা বেসির ভাগ সময়ই সত্য আবার কখনো শুকনাও পাই। আর বেসির ভাগ সময় এমন থাকার ফলে স্পষ্ট ভেজা কাকে বলে আমি আলাদা করতে পা্রি না মনে হয়।আমার সব সময়ই মনে হয় যে ভেজা। আমার প্রশ্ন হচ্ছেঃ 

    প্রশ্ন ১) শুধু স্পষ্ট বের হচ্ছে যখন অনুভব করব তখন তো চেক করব বুঝলাম। কিন্তু এই যে আমার সবসময়ই প্রবল ধারনা থাকে যে, আমার কিছু না কিছু বের হয়েছেই। এই অবস্থায়ও কি আমি প্রবল ধারনা হলেই বা স্পষ্ট ভেজা মনে হলেই চেক করব?  তাহলে তো আমাকে প্রতি সালাম ফিরে বার বার চেক করতে হবে। অথচ আমি এটাও একদম নিশ্চিত যে স্রাব বের হলেও এটা ল্যবিয়া মাইনরার চামড়ার বাইরের সীমানায় আসে নি।

    প্রশ্ন ২) "লজ্জাস্থানের সীমানা হতে বাহিরে"  বলতে কি বুঝায়? ল্যবিয়া মাইনরার  চামড়ার বাইরের সীমানা ?মানে হায়েজের দিনগুলোতে রক্ত যেখানে পৌঁছালে হায়েয শুরু হয়েছে ধরা হয় সেখানে?কিন্তু আগের একটা প্রশ্নে তো বলেছেন যে ছিদ্র দিয়ে স্রাব বের হলেই অজু ভেঙ্গে যায়।তাহলে চেক করার সময় লজ্জাস্থানের সীমানা হতে বাহিরে চেক করতে হয় কেন?নাকি এটা আমার অবস্থার জন্য
    আমি সত্যিই বুঝতে পারছি না।অনুগ্রহ করে বুঝায়ে বললে শান্তিতে নামাযটা পরতে পারব ইং শা আল্লাহ। বিশুদ্ধ ইলমের অভাবে ঠিক মত ইবাদত করতে পারি না।

    প্রশ্ন ৩)  লজ্জাস্থানের সীমানা হতে বাহিরে" বলতে যদি ল্যবিয়া মাইনরার  চামড়ার বাইরের সীমানাকেই বোঝায় তাহলে  আমি যখন বুঝতে পারব, স্পট বের হচ্ছে তখন ও শুধু ল্যবিয়া মাইনরার  চামড়ার বাইরের সীমানাতেই চেক করব যে স্রাব এসেছে কিনা? না আসলে আমি ওই অজু দিয়েই নামাজ চালিয়ে নিতে পারব?

    প্রশ্ন ৪) পরের ওয়াক্ত পর্যন্তও যদি ল্যবিয়া মাইনরার  চামড়ার বাইরের সীমানায় স্রাব পৌঁছানো না দেখি তখন আর অজু না করে ওই অজু দিয়েই নামাজ পরা যাবে?

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আপনি মা'যুর নন। তাই যখনই অজু চলে যাবে।সাথে সাথেই অজু করে এসে নামায পড়ে নিতে হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1746

(১) শুধু স্পষ্ট বের হচ্ছে যখন অনুভব করবেন, তখন চেক করবেন। নতুবা চেক করার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।
(২) "লজ্জাস্থানের সীমানা হতে বাহিরে"  বলতে বাহিরের অংশ। ভিতরে আঙ্গুল ঢুকিয়ে চেক করার কোনো প্রয়োজনীয়তা নাই।

(৩)  লজ্জাস্থানের সীমানা হতে বাহিরে" বলতে স্বাভাবিক হাত বুলানোর সময় যদি সাদাস্রাব হাতে লাগে, তখনই বুঝতে হবে যে অজু চলে গিয়েছে।

(৪) পরের ওয়াক্ত পর্যন্ত যদি ল্যবিয়া মাইনরার  চামড়ার বাইরের সীমানায় স্রাব না পৌঁছায়, তাহলে এতে কোনো সমস্যা হবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (7 points)
 এটা তো আমার প্রশ্ন ছিল না। আমি জানি আমি মাজুর না। কিন্তু সমস্যা হল নামাজের মধ্যে কখন স্রাব বের হয় বেশিরভাগ সময়ই আমি কিছু টের পাই না।তাই আমাকে প্রতি নামাযে সালাম ফিরে বার বার চেক করতে হয়। এভাবে বারবার অজু করে একনামাজ বার বার পড়া কি যে কষ্টকর আল্লাহ জানেন।

আমার অবস্থা আর প্রশ্ন আমি বিস্তারিত লিখেছি।দয়া করে ভাল করে পড়ে উত্তর দেন।
"
আপনি মা'যুর নন। তাই যখনই অজু চলে যাবে।সাথে সাথেই অজু করে এসে নামায পড়ে নিতে হবে।"  এটা আমার সমস্যার সমাধান না।কখন অজু চলে যায় আমি বুঝিও না।
by (805,980 points)
আপনি মাস'আলা মাসাঈল নিয়ে বাস্তবতা থেকে অতিরঞ্জন মূলক চিন্তা করছেন। সুতরাং এতো শঙ্কায় থাকা উচিত না।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 253 views
...