আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
50 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (36 points)
আসসালামু আলাইকুম। এটা হয়তো একটু বেশিই পারিবারিক প্রশ্ন, দয়া করে উত্তর দিয়েন। আমার জন্য খুব উপকার হতো। আল্লাহ তায়ালা আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।

আমি একজন মেয়ে। আমার এক ভাবি আমাকে মানসিকভাবে কষ্ট দিত। প্রায়ই খোঁটা তারপর বিদ্রুপের ভঙ্গিতে নানারকম কথা বলত যা আমার জন্য পীড়াদায়ক ছিল। আমি কাউকে এমনকি মায়ের কাছেও বলতাম না, বলিনি এখনও। কারণ আমি ভাবতাম এসব বললে গীবত হবে। কিন্তু আমি তাও মিশতাম।  কিন্তু আমি কয়েক বছর হলো, এই মানসিক যন্ত্রণা থেকে বাঁচার উদ্দেশ্য ওই ভাবির সাথে কম মেশা শুরু করি। আর কম তাকানোর চেষ্টা করি। কারণ আমি উনার দিকে না তাকালে, বিদ্রুপ করলেও কম কষ্ট পেতাম। আর এটা কাজ হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। এখন যেহেতু যতটুকু কথা না বললেই নয় ততটুকু কথা বলি ( ফর্মাল ভাবে) তাই উনার বিদ্রুপ থেকে অনেকটাই বেঁচে থাকতে পারি।

১. আমার কি পাপ হয়েছে ভাবির দিকে মাঝে কিছুদিন না তাকিয়ে কথা বলায়?
২. আমি উনার সাথে দেখা হলে সালাম দেই, কথা বলি তবে ছোটবেলার মতো বেশি মিশি না এতে কি পাপ হবে?
৩. এখন আমি আগের চেয়ে ম্যাচিউরড হয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। আমি কথা বলার সময় তাকালেও ভাবি তাকায় না। এ অবস্থায় আমার কী করা উচিত?

1 Answer

0 votes
by (764,160 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

কোনো মুসলিমের সাথে তিন দিনের বেশি কথা বন্ধ রাখা জায়েজ নেই।
,
হাদীস শরীফে এসেছেঃ
  
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ، وَأَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ السَّرْخَسِيُّ، أَنَّ أَبَا عَامِرٍ، أَخْبَرَهُم حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ هِلَالٍ، قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: لَا يَحِلُّ لِمُؤْمِنٍ أَنْ يَهْجُرَ مُؤْمِنًا فَوْقَ ثَلَاثٍ، فَإِنْ مَرَّتْ بِهِ ثَلَاثٌ، فَلْيَلْقَهُ فَلْيُسَلِّمْ عَلَيْهِ، فَإِنْ رَدَّ عَلَيْهِ السَّلَامَ فَقَدِ اشْتَرَكَا فِي الْأَجْرِ، وَإِنْ لَمْ يَرُدَّ عَلَيْهِ فَقَدْ بَاءَ بِالْإِثْمِ

আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ঈমানদারের জন্য বৈধ নয়, সে কোনো ঈমানদারের সঙ্গে তিন দিনের বেশি সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন রাখবে। অতঃপর তিন দিন অতিবাহিত হওয়ার পর উভয়ে দেখা হলে একজন সালাম দিলে এবং দ্বিতীয় ব্যক্তি তার সালামের উত্তর দিলে উভয়ই সালামের সাওয়াব পাবে। আর দ্বিতীয়জন সালামের উত্তর না দিলে গুনাহগার হবে। ইমাম আহমাদ এর বর্ণনায় রয়েছেঃ সালামদাতা সম্পর্কচ্ছেদের গুনাহ থেকে মুক্ত হবে।
(আবু দাউদ ৪৯১২)
,
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
(০১)
এক্ষেত্রে বিষয়টা যদি এমন হয়ে থাকে যে সে কয়দিন তিনি আপনার সামনেই হননি, অথবা আপনি তিন দিন অতিক্রম হওয়ার আগেই কমপক্ষে সালাম বিনিময় করেছেন, অথবা তার সাথে আপনার দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি, সেক্ষেত্রে আপনার গুনাহ হবে না।

(০২)
এতে কোনো সমস্যা নেই।

(০৩)
আপনিও যদি নজর না দেন,তবুও সমস্যা নেই।

কথা না বললেও কমপক্ষে সালাম বিনিময় করবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...