আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
113 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (8 points)
আসসালামু আলাইকুম,
উস্তায!
আমি একজন অবিবাহিত মেয়ে, বয়স ২৫। আমি দীর্ঘ ৯ বছর ধরে শারিরীক ও মানসিক অসুস্থতায় ভুগছি। যেমনঃ মেজর ডিপ্রেসিভ ডিসঅর্ডার, রক্ত শূন্যতা, ভিটামিন ডি লেভেল কম। এসমস্ত কারনে দেখা যায় আমি বেশিরভাগ সময় বিছানা থেকে উঠতে পারিনা। মানসিক অবস্থা খুবই খারাপ থাকে। অসুস্থতার আগে আমার দ্বীনি বুঝ ছিলনা, অসুস্থ হওয়ার পর থেকে আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ একটু একটু করে বুঝ দিয়েছেন।
কিন্তু সমস্যা হলো, আমার অসুস্থতার কারনে আমার রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়রা,  পাড়া প্রতিবেশি, দুরের আত্মীয়রা সবাই আমাকে, আমার আম্মাকে এবং আব্বাকে অনেক খোঁটা দেয় , অনেক কথা শোনায়। এতে করে আমি এবং আব্বা আম্মা অনেক কষ্টো পাই। আমি তো এমনিতেই আমার অসুস্থতার যন্ত্রনা সহ্য করতে পারিনা, অন্যদিকে তাদের কথাগুলো শুনলে আমি আরো বেশি কষ্টো পাই।
এগুলো কারো কাছে শেয়ারও করতে পারিনা, শুনি আর থাকি। সারাদিন মাথায় এগুলোই ঘুরতে থাকে। তখন তাদের প্রতি খুব রাগ এবং ক্ষোভ জন্ম নেয়। আত্মীয়দেরকে মন থেকে মুহাব্বাত করতে পারিনা, মুখে ভালো সম্পর্ক রাখি।
আত্মীয়রা যখন আমাকে কষ্টো দেয় তখন মুখের উপর কিছু বলতে পারিনা কিন্তু পরে তাদেরকে বলে দেই যে, "আপনিও আমাকে এরকম কথা বলেছিলেন আমি অনেক কষ্টো পেয়েছি"
তখন তারা  কষ্টো পায়, আমাকে আরো খারাপ চোখে দেখে, এবং অভিশাপ দেওয়ার মতো কথা বলে।
আমার কি কাজটা ঠিক হচ্ছে?, আমি কি করবো? আল্লাহর কাছে কিভাবে দুআ করতে পারি,

1 Answer

0 votes
by (814,620 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
একজন কামিল ঈমানদারের জন্য উচিৎ নবীজী সাঃ এর শিক্ষায় দীক্ষিত হয়ে ক্ষমার গুণ অর্জন করা।অভিশাপ দেয়াকে চিরতরে নিজের কাছ থেকে দূর করে দেয়া।এবং কবি জসিমুদ্দিনের সেই কবিতার দিকে একটু লক্ষ্য করা যা তিনি নবীজী সাঃ এর একটি হাদীস থেকে চয়ন করে লিখেছিলেন, 'আমার এ ঘর বাঙ্গিবে যে আমি বাধি তার ঘর।' যেমন রাসুলুল্লাহ সাঃ বলেনঃ
ﺻﻞ ﻣﻦ ﻗﻄﻌﻚ ﺃﻋﻂ ﻣﻦ ﺣﺮﻣﻚ ﺍﻋﻒ ﻋﻤﻦ ﻇﻠﻤﻚ
যে তোমার সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করে তুমি তার সাথে সম্পর্কস্থাপন করো।যে তোমাকে মাহরুম করে তুমি তাকে দান করো।যে তোমার উপর জুলুম করে তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও।{শুআবুল ঈমান-বায়হাক্বী-7599}এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/4040

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনাকে যে বা যারা কষ্ট দিয়েছে বা দিতে চায়, সবাইকে ক্ষমা করে দিবেন। যদি কখনো প্রতিবাদ মূলক কিছু বলে ফেলেন, তাহলে এজন্য আপনান গোনাহ হবে না। তবে অতিরিক্ত কিছু বলতে যাওয়া যাবে না। বললে অবশ্যই গোনাহ হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...