আসসালামু আলাইকুম
শাইখ, (১)প্রচুর মশা তো গরমকালে। তো মশা কামড়ালেই এক্সিমা/ এলার্জী চুলকায় অনেক বেশি তখন চামড়ার গুঁড়া গুঁড়া নামাজের পাটিতে পড়লে কি নাপাক হবে? বা ওই চুলকানো জনিত গুঁড়া গুলো কি নাপাক?
(২) শাইখ, নামাজে বসার সময়ে খুব সাবধানে বসি তাতে বাম পাশের পায়ের রান বুকের সাথে মিশতে পারে, ডান পাশের পা দূরে থেকে যায় (মাঝে মাঝে দুই সিজদার মাঝে কাছে আনা যায় আবার কখনো যায়না এনন আরকি), নাহলে সাদা স্রাব বের হয়ে যায় চাপ লেগে। সেজন্য এইভাবে বসলেও তো আমার সালাত হবে তাইনা?
(৩)দুই পা একেবারে না মিশিয়ে ফাঁকা রেখে দাড়াতেও সুবিধা হয়, তাহলে তো আমার সালাত হবে তাইনা? আগে মিশাতাম প্রেগনেন্সির পর থেকে ফাঁকা রেখে দাঁড়াতে এখন এইটাই সুবিধা হয় আল্লাহর ইচ্ছায়।
(৪)পিরিয়ডের আগে এবং পরের সময়গুলোতে লজ্জাস্থান সবসময় পানি পানি এসেই থাকে, আবার শরীর কড়া হলে/ বাথরুমের সমস্যা হলে সেইসময়গুলোতেও সেইম নামাজে অনেক কষ্টে আস্তে আস্তে চেপে চেপে বসে লজ্জাস্থানের ভিতরে পানি বাহিরে আসাকে নিয়ন্ত্রণ করি। তখন বসাটা একটু আগে পিছে হয়। নাহলে সাদাস্রাব বাহিরে বের হয়। আর প্যাড পড়লে সুবিধা কি হয় যে, প্যাড পরে নামাজ পড়লে প্যাডের চাপে সাদাস্রাব বা যেকোন পানি পানিভাব প্রথমে একবার মাত্র বাহিরে বের হওয়ারপর পরে আর বের হতে পারেনা, চাপ লেগে আটকে থাকে। কিন্তু প্যাড ছাড়া নামাজ পড়লে ওইযে উপরে তো বললাম ওইভাবে বসা লাগে যেখানে সিজদাহ দিতে মুখটা হাটুর কাছাকাছি এসে যাবে মাঝে আসে ৩য় বা ৪র্থ রাকাতের সিজদাহ্তে। মানে বোঝাতে চাচ্ছি যে আস্তে আস্তে এভাবে ম্যানেজ করতে হয়।
(৫) তো সালাতে তো ওইভাবে ম্যানেজ করতে হয় আল্লাহর ইচ্ছায়।
কিন্তু এমনি তো সালাত ব্যতীত সময়গুলোতে সবসময় স্রাব এরকম বা অজু নষ্ট হলে কিভাবে কুরআন পড়তে পারব? কাপড় দিয়ে সবসময় কুরআনের পৃষ্ঠা তো উল্টানো যায়না শাইখ, অসুবিধা হয়ে যায়।
(৬) কুরআন পড়ার সময়ে কাপড়ে স্রাবজনিত নাপাকি থাকা অবস্থায় ওজু করে এসে ওই অবস্থায়ই (স্রাব পরিষ্কার না করে)
তো তিলাওয়াত করা যাবে তাইনা? এক্ষেত্রে তো কাপড় ধৌত করা আবশ্যক না শরীয়তে!
(৭) কেউ যদি ওয়াক্তের ১০/১৫ মিনিট থাকতে সালাতে দাঁড়ায় এবং বায়ু/ লজ্জাস্থান থেকে কিছু বের হওয়ার সমস্যার দরুন সে ফরজ নামাজ পড়তে পারল না। তাহলে সে মাজুর ধরবে?
(৮) ইশার নামাজের সাথে সাথেই বিতর নামাজ পড়ে তারপর তারাবিহ আদায় করতে থাকলে, আদায় হবে?
(৯) মাগরিবের নামাজের পরপরই কি তারাবির নামাজ পড়তে শুরু করা যাবে?
(১০) সূরা নাবার তিন আয়াত করে করে তারাবির নামাজ আদায় করা যাবে? ২রাকাত না পড়ে ৪ রাকাআত করে পড়ে তারাবির নামাজ আদায় হবে?
(১১) কুরআনের যেকোন তিন আয়াতই সূরা ফাতিহার পর পড়লে সালাত আদায় হবে তাইনা? যেমন, সূরা নাবা'র ৩/৪ আয়াত করে করে তিলাওয়াত করলে নামাজ শুদ্ধ হবে?