আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
142 views
in সাওম (Fasting) by (47 points)
edited by

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ
২৫ তারিখ ভোরে হায়েজ শুরু। ৪ তারিখ সাহরী থেকে ইফতার পর্যন্ত লক্ষ্য রাখা হয়েছে, ক্লিয়ার ডিসচার্জ দেখা গিয়েছে। ৪ তারিখ রাতে হালকা হলুদ ডিসচার্জের মত দেখা গিয়েছে। কিন্তু হায়েজের মত বা ক্লিয়ার ডিসচার্জ এর মত তরল না। সর্দির মত আঠালো ধরনের। এরপর থেকে আবার নরমাল। স্টিকি কিন্তু প্রায় ক্লিয়ার ডিসচার্জ (হালকা হলুদাভ, কিন্তু টিস্যুতে ছড়িয়ে দিলে ক্লিয়ারই দেখা যায়)। শুধু এবার না। প্রায় সববারই এমন হয়। যদি এটাকে হায়েজ ধরা হয় তাহলে অভ্যাস দাঁড়ায় ৮/৯ দিনের।

১০ দিনের মধ্যে যেহেতু এখন কি এটাকে হায়েজ ধরা হবে?

যদি হায়েজ ধরা হয় তাহলে ৪ তারিখের রোজা কাযা করতে হবে? যেসব ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়েছে বা তিলাওয়াত করা হয়েছে সেগুলোর জন্য গুনাহ হবে?

যদি একেকবার একেক সময় শেষ হয় তাহলে অভ্যাস কিভাবে নির্ণয় করা হয়?

1 Answer

0 votes
by (770,460 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم

হায়েজের দিন গুলোতে যেই কালারেরই রক্ত হোক,সেটি হায়েজের রক্ত বলেই গন্য হবে। 
উক্ত সময় নামাজ রোযা ইত্যাদি আদায় করা যাবেনা।
(কিতাবুল ফাতওয়া ২/৭৬)

তবে স্পষ্ট সাদা কালারের কিছু বের হলে সেটাকে হায়েজ বলা যাবেনা।
(ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়াহ ২/৮৩৩)

উম্মে আলক্বামাহ তথা মার্জনা (مَوْلاَةِ عَائِشَةَ) হইতে বর্ণিত,

عن أم علقمة أَنَّهَا قَالَتْ : " كَانَ النِّسَاءُ يَبْعَثْنَ إِلَى عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ بِالدُّرْجَةِ فِيهَا الْكُرْسُفُ فِيهِ الصُّفْرَةُ مِنْ دَمِ الْحَيْضَةِ يَسْأَلْنَهَا عَنْ الصَّلَاةِ فَتَقُولُ لَهُنَّ لَا تَعْجَلْنَ حَتَّى تَرَيْنَ الْقَصَّةَ الْبَيْضَاءَ تُرِيدُ بِذَلِكَ الطُّهْرَ مِنْ الْحَيْضَةِ "

তিনি বলেনঃ (ঋতুমতী) স্ত্রীলোকেরা আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ঝোলা বা ডিবা (دُرْجَة) পাঠাইতেন, যাহাতে নেকড়া বা তুলা (كُرْسُفْ) থাকিত। উহাতে পাণ্ডুবৰ্ণ ঋতুর রক্ত লাগিয়া থাকিত। তাহারা এই অবস্থায় নামায পড়া সম্পর্কে তাহার নিকট জানিতে চাহিতেন। তিনি [আয়েশা (রাঃ)] তাহাদিগকে বলিতেনঃ তাড়াহুড়া করিও না, যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ সাদা (বর্ণ) দেখিতে না পাও। তিনি ইহা দ্বারা ঋতু হইতে পবিত্রতা (طُهْر) বুঝাইতেন।(মুয়াত্তা মালিক-১২৭)

আরো জানুনঃ- 

★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে চার তারিখে যে স্রাব দেখা গিয়েছে এটা যেহেতু টিস্যুতে নিলে সাদা দেখা গেছে, সুতরাং আপনি যদি ৪ তারিখ সুবহে সাদিক হতে কোনোরুপ ব্লাড বা সাদা ব্যাতিত অন্য কোনো কালারের স্রাব না দেখে থাকেন,সেক্ষেত্রে আপনি ৪ তারিখ ফজর হতে পবিত্র হয়েছেন।

এমতাবস্থায় ৪ তারিখের রোজা কাযা করতে হবেনা।

চার তারিখে যেসব ওয়াক্ত নামাজ পড়া হয়েছে বা তিলাওয়াত করা হয়েছে সেগুলোর জন্য গুনাহ হবেনা।

যদি একেকবার একেক সময় শেষ হয়, তাহলে সর্বশেষটাই অভ্যাস কিভাবে নির্ণয় করা হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
৪ তারিখ রাতে যে হলুদ দেখা গেলো সেটাকে হায়েজ ধরা হবে না?
by (770,460 points)
সেটিকে হায়েজ ধরবেন। 

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...