আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
41 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (2 points)
edited by
আস্সালামুআলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি ওয়া বার-কাতুহ।

হুজুর কেমন আছেন?
হুজুর আমি একটা বিষয় নিয়ে চিন্তিত

হুজুর আমি একদিন আমার স্ত্রীর সাথে ফোন কলে কথা হচ্ছিলো খুব রেগে তাকে বলেছিলাম "আল্লাহর কসম (কসম কয়েকবার কেটেছি) আমি যদি কখনো বুঝি বা শুনি তোমার কোনো কথার দ্বারা তোমার পরিবারে আমার পরিবার অসন্মানিত হয়েছে তাহলে কিন্তু খুব খারাপ হয়ে যাবে"
তখন আমি নিয়ত করেছিলাম যদি এরকম কিছু হয় তাহলে আমি তাকে তালাক দিয়ে দিবো।
পরবর্তীতে আমি একজন মুফতি সাহেবকে জানাই বিষয়টি তখন তিনি আমাকে বলছেন শর্ত অনুসারে আমার স্ত্রী যদি সে কাজটি করে তাহলে ১ তালাকে বায়েন পতিত হবে। নতুন করে আমাদের বিয়ে করতে হবে।পরবর্তীতে আমি দুই তালাকের মালিক থাকবো। এবং এভাবে কাজটি সে আবার করলে ২ তালাক এবং পুনরায় আবার করলে ৩ তালাক এভাবে পতিত হবে।

বিষয়টি আমি আমার স্ত্রীকে জানাইছিলাম।                    
এরপর আমি আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন থেকে জানতে পারি এটি কোনো কেনায়া শব্দ না সুতরাং এর দ্বারা তালাক পতিত হবে না আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু এটা আমি আমার স্ত্রীকে জানাইনি।
১. আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন থেকে জানার আগে আমি প্রথম মুফতি সাহেব হুজুরের বলা কথার উপর ভিত্তি করে আমি তার পা ধরে বলেছি সে যেন এরকমটা না করে তাহলে হুজুরে কথা মতো তালাক হয়ে যাবে। এখানে তালাক শব্দটা উচ্ছারণ করেছি কিনা আমার মনে নেই যদি উচ্চারণ করেও থাকি তাহলেও কি নতুন করে তালাকের শর্ত আরোপিত হবে? এবং তালাক হবে?
২.আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশন থেকে জানার পর পরবর্তীতে একদিন ফোন কলে আমি আমার স্ত্রীকে প্রথম যে মুফতি সাহেব হুজুরের সাথে কথা হয়ছিলো উনার কথার উপর ভিত্তি করে বলছি "এখন আর আমার হাতে কিছু নাই......" তারপর কি বলছি স্পষ্টভাবে মনে পরছে না। আমার স্ত্রীকেও জিজ্ঞেস করেছি সেও সঠিক বলতে পারেনি। তবে তালাক উচ্চারিত হয়নি মুখ দিয়ে এতটুকু মনে আছে।
তাকে তখন বলে এটা বুঝাইতে চাইছি আল্লাহ না করুক যদি সে কাজটি করে তাহলে মুফতি সাহেব হুজুরের কথা মতো তালাক হয়ে যাবে।

এখন আমার প্রশ্ন হলো এর দ্বারা কি নতুন করে কোনো শর্ত আরোপিত হয়েছে কিনা অথবা তালাকের বিষয়টি আসবে কিনা?

৩.আমার স্ত্রী গর্ভবতী। একদিন আমি শর্তানুযায়ী এরকমন কিছু হয়েছে বুঝেছিলাম। তো মনে হয় সেদিনই আমি তাকে ফোন কলে কাঁদো কাঁদো গলায় (ধরতে পারেন এমনিতেই কাঁদো গলাতে বলার অভিনয় করার চেষ্টা করেছিলাম যদিও আমি আগে থেকেই জানতাম শর্তযুক্ত কোনো তালাক এর বিষয় আমাদের হয়নি তারপরও তাকে বুঝালাম যেহেতু সে জানতো না) বলেছিলাম "আমাদের সন্তানের কি হবে?" এই বাক্যটিই বলেছিলাম কিনা মনে নেই তবে বাক্য যেভাবে সেভাবেই বুঝাইছিলাম কিন্তু মুখ দিয়ে তালাক উচ্চারণ করিনি।
মানে আমি যে শর্তের মতো করে তাকে বলেছি সেটাতো পেয়েছি তাহলে প্রথম যে মুফতি সাহেব হুজুর বলেছিলেন উনার কথার উপর ভিত্তি করে এটাই বুঝাইলাম উনার কথা মতো তো তালাক হয়ে যাবে তাহলে আমাদের সন্তানের কি হবে?
এর দ্বারা কি তালাকের কোনো শর্ত নতুন করে আসবে কিনা অথবা তালাকের আশংকা আছে কিনা? ১ ও ৩ নং এর বাক্যগুলো কি ছিলো সেটা জানার জন্য কি আমি আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করবো?

৪. বিবরণ লিখতে গিয়ে অথবা মনে করো আমি তোমাকে তালাক দিয়ে দিলাম এই বাক্যটি দ্বারা তালাক হয় কিনা জানার জন্য যদি লিখে সার্চ করতে গিয়ে নিজের স্ত্রীর কথা মাথায় চলে আসে তাহলে কি তালাক হবে?
অনুগ্রহ করে সঠিক নির্দেশনা চাচ্ছি।

1 Answer

0 votes
by (805,980 points)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।

আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে।
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না ।
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন।
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।
https://idaars.com/courses/waswasa/

বিঃদ্র
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...