ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) প্রশ্নে উল্লেখিত মনোভাব রাখা উচিত।
(২) الثاني: الاستعانة على تغيير المنكر ورد العاصي إلى الصواب. وبيانه أن يقول لمن يرجو قدرته على إزالة المنكر: فلان يعمل كذا فازجره عنه ونحو ذلك، ويكون مقصوده إزالة المنكر، فإن لم يقصد ذلك كان حراما.
(দুই) মন্দকে পরিবর্তন করতে এবং গোনাহগারকে নেকির দিকে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে কারো গীবত করা।যেমন এমন কারো কাছে গিয়ে গিবত করা,যে ব্যক্তি ঐ মন্দকাজ সম্পাদনকারীকে ধমক দিতে পারে, ইত্যাদি ইত্যাদি।শর্ত এই যে, মন্দকে বিদূরিত করার উদ্দেশ্যই থাকতে হবে।উদ্দেশ্য যদি অন্য কিছু হয় তখন কিন্তু গীবত করা জায়েয হবে না বরং হারাম হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/1715
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যদি বোয়া এর মন্দ দিকগুলো পরিবর্তন করতে আপনি আপনার মায়ের কাছে নালিশ করেন, তাহলে এটা গীবতের অংশ হবে না।
(৩) রমজানে শয়তান বাঁধা থাকে। কিন্তু রমজান পূর্বে যেই প্ররোচনা শয়তান দিয়েছিলো, সেটার কিছু আছর বাকী থেকে যায়, যেজন্য রমজানেও মানুষ গোনাহের কাজ করে।
(৪) হ্যা, এখন আপনি ৫০০ টাকা সাদাকাহ দিয়ে বাকিটা নিজের কাজে খরচ করতে পারবেন।