ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
মহিলা সাহাবিয়া রুকিয়া করতেন যেমনটা হাদীসে এসেছে,আশ-শিফা বিনতু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত।
عَنِ الشِّفَاءِ بِنْتِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَتْ: دَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَنَا عِنْدَ حَفْصَةَ فَقَالَ لِي: أَلَا تُعَلِّمِينَ هَذِهِ رُقْيَةَ النَّمْلَةِ كَمَا عَلَّمْتِيهَا الْكِتَابَةَ
নবী ﷺ আমাকে বললেন:“তুমি যেভাবে হাফসাকে লেখা শিখিয়েছ, সেভাবে তাকে নামলার রুকিয়া শিখিয়ে দাও।” (সুনানে আবি দাউদ-৩৮৮৭)
এটি খুব পরিষ্কার দলিল যে একজন মহিলা সাহাবিয়া রুকিয়া করতেন এবং নবী ﷺ অনুমতি দিয়েছেন।
স্ত্রী সাহাবিয়া রুকিয়া করেছেন
عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَنْفُثُ عَلَى نَفْسِهِ فِي الْمَرَضِ الَّذِي مَاتَ فِيهِ بِالْمُعَوِّذَاتِ، فَلَمَّا ثَقُلَ كُنْتُ أَنْفِثُ عَلَيْهِ بِهِنَّ، وَأَمْسَحُ بِيَدِ نَفْسِهِ لِبَرَكَتِهَا. فَسَأَلْتُ الزُّهْرِيَّ كَيْفَ يَنْفِثُ قَالَ كَانَ يَنْفِثُ عَلَى يَدَيْهِ، ثُمَّ يَمْسَحُ بِهِمَا وَجْهَهُ.
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে রোগে ওফাত পান সেই রোগের সময়ে তিনি নিজ দেহে ’মু’আব্বিযাত’ পড়ে ফুঁক দিতেন। অতঃপর যখন রোগের তীব্রতা বেড়ে গেল, তখন আমি সেগুলো পড়ে ফুঁক দিতাম। আর আমি তাঁর নিজের হাত তাঁর দেহের উপর বুলিয়ে দিতাম। কেননা, তাঁর হাতে বারাকাত ছিল। রাবী বলেনঃ আমি যুহরীকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি কীভাবে ফুঁক দিতেন? তিনি বললেনঃ তিনি তাঁর দু’ হাতের উপর ফুঁক দিতেন, অতঃপর সেই দু’ হাত দিয়ে আপন মুখমণ্ডল বুলিয়ে নিতেন। (সহীহ বুখারী-৫৭৩৫, সহীহ মুসলিম-২১৯২)
এই হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, মহিলারাও রুকয়া করতে পারেন।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) মহিলারা মহিলাদের রুকইয়াহ করতে পারবে। রুকিয়াহ এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যাবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন https://www.ifatwa.info/997
(২) রুকইয়াহর মধ্যে কুরআনের কিতাল ও হারব সম্পর্কিত আয়াতগুলো বারবার তিলাওয়াত করা হয়, যাতে জিন-শয়তান বের হয়ে যায়। এই সময় যদি আল্লাহর সাহায্যে ফেরেশতারা কোনো শয়তানকে হত্যা করে, তাহলে এটা নাজায়েয হবে না।