বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
শিয়াদের মারাত্বক পর্যায়ের কিছু আকিদা হল, যেমন
(১)বর্তমানে আমাদের সামনে যে কুরআনে কারীম রয়েছে,সেটা বিকৃত।
(২)হযরত আবু বকর উমর কাফির।
(৩) হযরত আযেশা রাযি এর ইফকের ঘটনা বাস্তব সম্মত।
এমন সব আকিদা গ্রহণ কারীরা অবশ্যই কাফির।
এদের সাথে কোনো রকম সম্পর্ক রক্ষা করা যাবে না।
তবে কিছু লোকের আকিদা আমাদের মতই। তবে তারা হযরত আলী রাযি সম্পর্কে বেশী মহব্বতের ইজহার করে থাকে,এমন আকিদা লোকজন কে কাফির বলা যাবে না।বরং তারা আমাদের মতই।তাদের সাথে সকল প্রকার যোগাযোগ রক্ষা করা যাবে।
বর্তমান সময়ের যে শিয়ারা ইরানে আছেন,তাদের সম্পর্কে বলা যায় যে, ইরানের ধর্মীয় নেতা রুহুল্লাহ খোমেনি "ইসনা আশারিয়া" সম্প্রদায়ের।
এদেরকে এক সময় শিয়াদের একটি সম্প্রদায় "যায়দিয়া" (ইয়েমেনি হুথি) রা কাফের বলে আখ্যায়িত করেছিল। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/2632
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সকল শিয়া কাফির নয়। বরং যাদের আকিদাতে কুফরি রয়েছে তারাই কাফের। ইরানের বর্তমান শাসন ব্যবস্থায় যারা রয়েছে, তাদের আকিদাতে কুফরি রয়েছে। আল্লাহ তাদেরকে হেদায়েত দান করুক।আমীন।
তাদের সম্পর্কে যতটুকু আমরা জানতে পেরেছি সেই আলোকে বলছি, আল্লাহই ভালো জানেন।
(১) ইরানের শিয়াদের নেতৃত্ব দেয়া মানুষদের আকিদা ভ্রান্ত। যা ইসলাম থেকে খারিজ করে দেয়।
(২) তাদেরকে শহীদ বলা যাবে না।
(৩) তারা নামাজে যে বিশেষ মাটি এনে তার উপর সিজদা করে তা বিদাত।
(৪) যারা জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবীদেরকে কাফের বলে অভিশাপ দেয়, এটা কুফরি।
(৫) মন্দের ভালো এবং মজলুম হিসেবে তাদের পক্ষে থাকা যাবে। পাশাপাশি তাদের হেদায়েতের জন্য দু'আও করা উচিত।