আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
50 views
in সাওম (Fasting) by (52 points)

আসসালামু আলাইকুম হুজুর,

 

যে কারণে কুরবানী ওয়াজিব হয়, সেই কারণেই ফিতরা ওয়াজিব হয়?

 

আসসালামু আলাইকুম হুজুর,

আসসালামু আলাইকুম হুজুর,

আসসালামু আলাইকুম হুজুর,

আসসালামু আলাইকুম হুজুর,

আলাইকুম

আসসালামু আলাইকুম হুজুর,

1 Answer

0 votes
by (805,200 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ফিতরা কার উপর ওয়াজিব?
وهي واجبة على الحر المسلم المالك لمقدار النصاب فاضلا عن حوائجه الأصلية كذا في الاختيار شرح المختار، ولا يعتبر فيه وصف النماء ويتعلق بهذا النصاب وجوب الأضحية، ووجوب نفقة الأقارب هكذا في فتاوى قاضي خان.
ভাবার্থ-নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যয়ভার ব্যতীত প্রত্যেক  নেসাব (৭.৫ ভড়ি স্বর্ণ/৫২.৫ ভড়ি রূপা বা রূপার সমমূল্য) পরিমাণ মালের মালিক স্বাধীন মুসলমানের উপর সদকায়ে ফিতর ওয়াজিব।
এক্ষেত্রে বাড়ন্ত মাল হওয়া জরুরী নয়।শুধু তাই নয়, বরং এ পরিমাণ মালের মালিকের উপর  কোরবানী ও নিকটাত্মীয়দের ব্যয়ভার গ্রহণ ওয়াজিব। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/১৯২)

নাবালক সন্তানের মাল থাকলে, নাবালক সন্তানের উপর সদকায়ে ফিতির ওয়াজিব হবে। তার অভিভাবক তার মাল থেকে সদকায়ে ফিতির আদায় করবে। হ্যা, অভিভাবক নিজ মাল থেকেও আদায় করতে পারবে। তবে যদি নাবালক সন্তানের মাল না থাকে, তাহলে তার পিতার উপর সদকায়ে ফিতির ওয়াজিব হবে, যদি পিতা নেসাব পরিমাণ মালের মালিক থাকে, নতুবা ওয়াজিব হবে না। কিন্তু মা নেসাব পরিমাণ মালের মালিক হলে, মায়ের উপর ওয়াজিব হবে না।হ্যা, তিনি চাইলে নিজ পক্ষ্য থেকে আদায় করতে পারবেন।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1811

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যার উপর কুরবানী ওয়াজিব হয়, তার উপর ফিতরাও ওয়াজিব হয়।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...