আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
71 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (1 point)

২০২৬ সালের ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) আফগানিস্তানে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে, কারণ ১৮ মার্চ বুধবার সন্ধ্যায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় হেলমান্দ এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় ফারাহ ও গোর প্রদেশে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে। তালেবান প্রশাসন ও সর্বোচ্চ আদালত স্থানীয় বাসিন্দাদের সাক্ষ্য যাচাই করে এই চাঁদ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং সে মোতাবেক গোটা আফগানিস্তানে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে।

আমার প্রশ্ন হচ্ছে আফগানিস্তানের হেলমান্দ, ফারাহ ও গোর প্রদেশে থেকে দূরবর্তী উজবেকিস্থান, তাজিকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ঈদ পালিত হচ্ছে কিন্তু হেলমান্দ প্রদেশ নিকটবর্তী পাকিস্তানের চাগাই, নকুন্দি, ডালবান্দিন ইত্যাদি অঞ্চলে ঈদ উদযাপিত হচ্ছে না।

এক্ষেত্রে নিকটবর্তী অঞ্চলে ঈদ পালিত না হওয়া ও দূরবর্তী অঞ্চলে পালিত হওয়ার ক্ষেত্রে শরিয়তের হুকুম কী?

1 Answer

0 votes
by (807,660 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আলহামদুলিল্লাহ!
’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَأَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَ رَمَضَانَ فَقَالَ لاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْا الْهِلاَلَ وَلاَ تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযানের কথা আলোচনা করে বললেনঃ চাঁদ না দেখে তোমরা সওম পালন করবে না এবং চাঁদ না দেখে ইফ্তার বন্ধ করবে না। যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে তার সময় (ত্রিশ দিন) পরিমাণ পূর্ণ করবে। (সহীহ বোখারী-১৯০৬)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2247


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
উক্ত হাদীসে চাদ দেখে রোযা রাখা এবং চাদ দেখে রোযাকে ভঙ্গ করার কথা বলা হচ্ছে। মানুষ যেই জায়গায় যেই শহরে অবস্থান করবে, সেখানে যখন চাদ দেখা যাবে, তখন সে রোযা শুরু করবে বা ঈদ করবে।

বিঃদ্রঃ
নিয়ম তো নিকটবর্তী শহরে চাদ দেখার উপর ভিত্তি করে মাস শুরু করা, ঈদ করা। এটা তখনই সম্ভব যখন একটি খেলাফতের অধীনে সবাই চলবে। অথবা সকল মুসলিম দেশের ধর্মমন্ত্রীরা মিলে একটি সংগঠন হবে।এবং সংগঠন পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নিবে যে,কোন কোন শহরে ঈদ হতে পারে। যেহেতু এই বিষয়গুলো বর্তমানে প্রায় অসম্ভব, এজন্য বিকল্প হিসেবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিষয়টা চলে এসেছে।  এছাড়া অন্য কোনো উপায় আপাতদৃষ্টিতে দেখা যাচ্ছে না।হয়ত অদূরভবিষ্যতে কোনো সমাধান হতে পারে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...