ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আলহামদুলিল্লাহ!
’আবদুল্লাহ ইবনু ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ حَدَّثَنَا مَالِكٌ عَنْ نَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُمَرَأَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَ رَمَضَانَ فَقَالَ لاَ تَصُومُوا حَتَّى تَرَوْا الْهِلاَلَ وَلاَ تُفْطِرُوا حَتَّى تَرَوْهُ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَاقْدُرُوا لَهُ
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমাযানের কথা আলোচনা করে বললেনঃ চাঁদ না দেখে তোমরা সওম পালন করবে না এবং চাঁদ না দেখে ইফ্তার বন্ধ করবে না। যদি মেঘাচ্ছন্ন থাকে তাহলে তার সময় (ত্রিশ দিন) পরিমাণ পূর্ণ করবে। (সহীহ বোখারী-১৯০৬)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/2247
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
উক্ত হাদীসে চাদ দেখে রোযা রাখা এবং চাদ দেখে রোযাকে ভঙ্গ করার কথা বলা হচ্ছে। মানুষ যেই জায়গায় যেই শহরে অবস্থান করবে, সেখানে যখন চাদ দেখা যাবে, তখন সে রোযা শুরু করবে বা ঈদ করবে।
বিঃদ্রঃ
নিয়ম তো নিকটবর্তী শহরে চাদ দেখার উপর ভিত্তি করে মাস শুরু করা, ঈদ করা। এটা তখনই সম্ভব যখন একটি খেলাফতের অধীনে সবাই চলবে। অথবা সকল মুসলিম দেশের ধর্মমন্ত্রীরা মিলে একটি সংগঠন হবে।এবং সংগঠন পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নিবে যে,কোন কোন শহরে ঈদ হতে পারে। যেহেতু এই বিষয়গুলো বর্তমানে প্রায় অসম্ভব, এজন্য বিকল্প হিসেবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিষয়টা চলে এসেছে। এছাড়া অন্য কোনো উপায় আপাতদৃষ্টিতে দেখা যাচ্ছে না।হয়ত অদূরভবিষ্যতে কোনো সমাধান হতে পারে।