বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
এহতেকারে শাখাপ্রশাখা গত কিছু আলোচনা,
وَقَدْ صَوَّرَهُ ابْنُ الْقَيِّمِ بِقَوْلِهِ: أَنْ يَلْزَمَ النَّاسَ أَلاَّ يَبِيعَ الطَّعَامَ أَوْ غَيْرَهُ مِنَ الأَْصْنَافِ إِلاَّ نَاسٌ مَعْرُوفُونَ، فَلاَ تُبَاعُ تِلْكَ السِّلَعُ إِلاَّ لَهُمْ، ثُمَّ يَبِيعُونَهَا هُمْ بِمَا يُرِيدُونَ. فَهَذَا مِنَ الْبَغْيِ فِي الأَْرْضِ وَالْفَسَادِ بِلاَ تَرَدُّدٍ فِي ذَلِكَ عِنْدَ أَحَدٍ مِنَ الْعُلَمَاءِ. وَيَجِبُ التَّسْعِيرُ عَلَيْهِمْ، وَأَنْ يَبِيعُوا وَيَشْتَرُوا بِقِيمَةِ الْمِثْل مَنْعًا لِلظُّلْمِ. وَكَذَلِكَ إِيجَارُ الْحَانُوتِ عَلَى الطَّرِيقِ أَوْ فِي الْقَرْيَةِ بِأُجْرَةٍ مُعَيَّنَةٍ، عَلَى أَلاَّ يَبِيعَ أَحَدٌ غَيْرُهُ، نَوْعٌ مِنْ أَخْذِ أَمْوَال النَّاسِ قَهْرًا وَأَكْلِهَا بِالْبَاطِل، وَهُوَ حَرَامٌ عَلَى الْمُؤَجِّرِ وَالْمُسْتَأْجِرِ-
ইমাম ইবনুল কায়্যিম রাহ, এহতেকার এর শাখাপ্রশাখাগত আলোচনা করতে যেয়ে তার একটি পদ্ধতি এরূপ বর্ণনা করেন যে,মানুষের উপর অত্যাবশ্যকীয় করে দেয়া যে,উক্ত খাদ্য বা এজাতীয় অন্যান্য জিনিষ নির্দিষ্ট সংখ্যক কিছু লোক(ডিলার) ছাড়া অন্য কেউ বিক্রি করতে পারবে না।সুতরাং উক্ত জিনিষকে শুধুমাত্র ঐ সমস্ত ব্যক্তিবর্গের(ডিলারদের) নিকটই বিক্রি করা হয়।আর তারা যেভাবে ইচ্ছা মূল্যনির্ণয় পূর্বক বিক্রি করে।এটা নিঃসন্দেহে যমিনে বিশৃঙ্খলা ও ফাসাদ সৃষ্টির অন্যতম কারণ।তাদেরকে সহজ সাধারণ বাজারমূল্য নির্ধারণ ও মুক্তভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য বাধ্য করা মুসলমানদের উপর ওয়াজিব।
ঠিক তেমনিভাবে রাস্তার ধারে বা গ্রামে নির্দিষ্ট ভাড়ার বিনিময়ে কোনো দোকান ঐ শর্তে ভাড়া দেয়া ও নেয়া যে,সে ব্যতীত আর কেউ বিক্রয় করতে পারবে না।
এটা মানুষের মালকে অন্যায়ভাবে জোড়করে করে আত্মসাৎ করা ও বাতিল ত্বরিকায় উপার্জন করার নামান্তর।
এক্ষেত্রে দোকান ভাড়ায় প্রদানকারী ও ভাড়াটি উভয় ই গোনাহগার হবেন।(আল-মাওসুআতুল ফেকহিয়্যাহ 2/94)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মূল্য বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে গোদামজাত করা নাজায়েয ও হারাম।তবে যদি কারো গোদামজাত করণের দ্বারা বাজারে কোনো প্রভাব না পড়ে,তাহলে উনি এমন কোনো মালকে গোদামজাত করতে পারবেন।এবং যতদিন ইচ্ছা করতে পারবেন।এর জন্য কোনো সময়সীমা নাই।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/7334
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১)খাদ্যশস্য মৌসুমের সময় সস্তায় ক্রয় করে পরবর্তীতে বিক্রয় করলে মজুদদারী হবে না। কেননা এদ্বারা বাজারে কোনো প্রভাব পড়ছে না।
(২)৪০ দিনের বেশী সংরক্ষন করা যাবে।
(৩)বাজারে প্রভাব পড়ার অর্থ হচ্ছে, মজুদ করণের দ্বারা বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়া এবং বাজারে মূল্য বৃদ্ধি হওয়া।
(৪) বাজারে মূল্য বৃদ্ধি হয় না, সেই পরিমাণ খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করা যাবে। সুতরাং ফলাফল হল, কোনো লিমিট নাই।
(৫) ব্যবসায় তখনই মজুদদারি হবে যখন বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিবে।
(৬) যেই টাইমে পন্য কিনা হয়, সেই সময় যদি বিক্রয় না করা হয়, পন্য ক্রয় শেষ হলে পরবর্তীতে পন্য বিক্রয় করা যাবে।