ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
من جاوز بيوت مصره مريدًا سيرًا وسطًا ثلاثة أيّامٍ في برٍّ أو بحرٍ أو جبلٍ قصر الفرض الرّباعيّ فلو أتمّ وقعد في الثّانية صحّ وإلّا لاحتّى يدخل مصره أو ينوي إقامة نصف شهرٍ ببلدٍ أو قريةٍ لا بمكّة ومنًى وقصر إن نوى أقلّ منه أو لم ينو وبقي سنين أو نوى عسكرٌ ذلك بأرض الحرب، وإن حاصروا مصرًا أو حاصروا أهل البغي في دارنا في غيره
যে ব্যক্তি তার নিজ শহরের বসতবাড়িকে তিন দিনের দূরত্ব পরিমাণ সফরের নিয়তে ত্যাগ করবে,সে মুসাফির হিসেবেই গণ্য হবে।জলে,স্থলে,পাহাড়ে যেকোনো স্থানেই সফর শুরু করুক না কেন?
তখন চার রা'কাতি নামাযে দু'রাকাত করে পড়বে।তবে যদি কেউ চার রা'কাত পড়ে নেয়,এবং চার রা'কাতের মাথায় শেষ বৈঠক করে নেয়,তাহলে তখন নামায বিশুদ্ধ হবে।(প্রথম দু রা'কাত ফরয এবং শেষ দু রা'কাত নফল হিসেবে গণ্য হবে।)যতক্ষণ না সে নিজ শহরে প্রবেশ করছে বা তথায় সু-নির্দিষ্ট ভাবে পনের দিন অবস্থানের নিয়ত করছে।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যেহেতু চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন। সেখানে আপনাকে কতদিন থাকতে হবে? সেই বিষয়ে যেহেতু সুস্পষ্ট কোনো ধারণা আপনার নেই। ১৫ দিনের বেশিও হতে পারে আবার কমও হতে পারে। এক্ষেত্রে আপনি মুসাফির হিসেবেই গণ্য হবেন।