বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
لما في ردالمحتار،ج:٣-ص:٣٣ (نسخة شاملة)
ويشترط وقوع الشهوة عليها لا على غيرها لما في الفيض لو نظر إلى فرج بنته بلا شهوة فتمنى جارية مثلها فوقعت له الشهوة على البنت تثبت الحرمة، وإن وقعت على من تمناها فلا -
অর্থাৎ- যাকে স্পর্শ করা হচ্ছে,তাকে নিয়ে কামভাব থাকতে হবে।কেননা বর্ণিত রয়েছে,কেউ যদি তার মেয়ের লজ্জাস্থানের দিকে কামভাব ছাড়া দৃষ্টি দেয়,এবং কল্পনায় অন্য কোনো নারীকে সে সঙ্গী হিসেবে চায়,কিন্তু তৎক্ষণাৎ তার মেয়ের দিকে তার কামভাব জাগ্রত হয়ে যায়,তাহলে তখন হুরমতে মুসাহারা সাব্যস্ত হয়ে যাবে(তথা তার বিবি তার জন্য হারাম হয়ে যাবে)তবে যদি তার কামভাব কল্পিত সে নারীর উপরই থাকে তাহলে হুরমতে মুসাহারাহ সাব্যস্ত হবে না।ফাতাওয়ায়ে শামী-৩/৩৩(শামেলা)( কিতাবুন-নাওয়যিল-৮/২৮৮)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) কামনা বা বাসনা কিংবা যৌন চিন্তা ছাড়া যদি স্পর্শ হয় এবং লিংঙ্গ দাঁড়ায় তাহলে হুরমত হবে না। তবে সাধারণত যৌন চিন্তা ছাড়া লিঙ্গ দাড়ায় না। যদি কখনো এমনিতেই সহবাসের চিন্তা ব্যতিত দাড়িয়ে যায়, তাহলে হুরমত হবে না।
(২) প্রশ্নটি অস্পষ্ট।
(৩) মনে মনে তালাক উচ্চারণ এর ক্ষেত্রে স্পষ্ট শব্দ শুনা বাধ্যতামূলক। জিহবার তপ/পট খুব হালকা করে হলে হবে না।
(৪) যাকে স্পর্শ করা হবে তার প্রতি কামনা থাকতে হবে। অন্ধকারে উত্তেজিত অবস্থায় স্ত্রীর গায়ে হাত দিতে গিয়ে যদি মেয়ের গায়ে পড়ে যায়, যেহেতু এখানে যাকে সে ইচ্ছা করেছে স্পর্শ করার জন্য তাকেই সে স্পর্শ করেছে, নিয়তে যদিও স্ত্রী ছিল, কিন্তু তার ইচ্ছার বাস্তবায়ন হয়েছে।তাই হুরমত হয়ে যাবে।
(৫) হজ্জের সময় যে এক জন আরেকজন রে বাড়ি দিয়ে সরাই দেয় এটা দেখে যদি কারো অবচেতন মনে হাসি পায় তাহলে কাফফারা দিতে হবে না।
(৬) কোন বুড়া মানুষের ইবাদাত দেখে হাসলে কাফফারা আসবে না।