আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
38 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (4 points)
আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহ। কোনো এক মাদ্রাসায় সাদাকা করার জন্য একাউন্ট নাম্বার দেয়া আছে যে কেউ সাদাকা করতে পারবে।এছাড়া ওখানে আবাসিক বা অনাবাসিক শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নেয়া যায়।আমরা কিছু বোন আলাদা করে সাদাকা না করে প্লান করেছি আমরা একটা অনাবাসিক শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নিবো।তাই আমরা প্লান করেছি টাকাটা একজনের একাউন্টে রেখে পাঠাবো।পরিমাণের থেকে টাকা বেশি উঠাতে পরে প্লান করলাম বাকি টাকাটা আমরা গাজার ও সুূদানের ভাইবোনদের জন্য পাঠাবো।
এই প্লান শুনে একজন আমাকে  বলেছে, নিয়ত ঝালাই করতে,আই ফতোয়াতে প্রশ্ন করতে।আমাদের সাদাকা নাকি এখতেলাফি সাদাকা।আমাদের সাদাকার কোনো প্রয়োজন নাই। উনার কথা একাউন্ট নাম্বার থাকতে কেনো এভাবে আরেকজনের মাধ্যমে টাকা পাঠাতে হবে।এই কথাগুলো আমাদের কোনো ডোনার বোন বলেননি।আলাদা করতে গেলে সমস্যা হয়যে অনেকে ভুলে যেতে পারে।আজকেই একজন ডোনার বোন বললেন, উনি একাকি করলে অনেক সময় এই সাদাকা মিস যেতেও পারে।
১)আমি জানতে চাই, আমাদের এই উদ্যোগ,এই পরিকল্পনা কি ভুল ছিলো?
(সবাইকে জানিয়েই আমরা বাকি টাকাগুলো গাজার জন্য পাঠানোর নিয়ত করেছি।টাকাটা আমার জিম্মাতেই ছিলো।অন্যকে নিতে বলেছিলাম।শেষে আমাকেই রাখতে হয়েছে।সবাই বিশ্বাস করেই একাউন্টে দিয়েছে।কারো বাহবা পাওয়ার জন্য বা নিয়তের গরমিল করে আমি  এই উদ্যোগ নেইনি আলহামদুলিল্লাহ।সবাই বিশ্বাস করে এক কথাতেই সামর্থ অনুযায়ী খুশিমনে শরীক হয়েছিলেন। আমার রব অন্তর্যামী।।পরবর্তীতে উক্ত ব্যক্তির কথায় আমি সবার টাকা ফেরত দিয়েছি যারা টাকা পাঠিয়েছিলেন।বোনরা টাকা ফেরত দেওয়াতে অনেকে কষ্টও পেয়েছেন।কিন্তু এই ধরনের কথা শুনে আসলে এই জিম্মা ছেড়ে দিয়েছি যদিও বোনরা বারবার জোর করেছেন টাকাগুলো রেখে সাদাকা করতে।কিন্তু মানুষের এরকম কথা শুনলে আসলে কষ্ট লাগে।

1 Answer

0 votes
by (806,910 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
মাদরাসার একাউন্টে সরাসরি প্রত্যেকেই ব্যক্তিগতভাবে দিতে পারবেন আবার একজনের একাউন্টে জমা করে একত্রেও দিতে পারেন। উভয় পদ্ধতিও সুন্দর। সাদাকাহ এবং দাওয়াহর কাজে সর্বোচ্চ সতর্কতা এবং নির্ভেজাল পথ অন্বেষণ করা উচিত। 

হাসান ইবনে আলী রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে।
ﻭﻋﻦ ﺍﻟﺤَﺴَﻦِ ﺑﻦ ﻋَﻠﻲٍّ ﺭﺿﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗَﺎﻝَ : ﺣَﻔِﻈْﺖُ ﻣِﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﷺ : « ﺩَﻉْ ﻣَﺎ ﻳَﺮِﻳﺒُﻚَ ﺇِﻟﻰ ﻣَﺎ ﻻ ﻳﺮِﻳﺒُﻚ » ﺭﻭﺍﻩُ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ﻭﻗﺎﻝ : ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ ﺻﺤﻴﺢٌ 
তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি।তিনি বলেন,সন্দেহ যুক্ত জিনিষকে পরিহার করে সন্দেহমুক্ত জিনিষকে গ্রহণ করো।(সুনানু তিরমিযি-২৪৪২)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মাদরাসার একাউন্টে সরাসরি দান করা বা একজনের  একাউন্টে জমা করে পরবর্তীতে মাদরাসার একাউন্টে  একত্রে দান করা উভয় মতামতই সুন্দর। তবে নির্ভেজাল পথ হল, মাদরাসার একাউন্টে প্রত্যেকেই জমা দিয়ে রিসিট বা স্কিনশট কিংবা ট্রাঞ্জেকশন কোড শেয়ার করবেন। এতেকরে সর্বমোট দানের পরিমাণ জানা যাবে এবং কোনো কথাও উঠবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 70 views
...