আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
17 views
in পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage & Divorce) by (15 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম।(মুফতি ইমদাদুল হক হুজুরের কাছে প্রশ্ন)
স্বামীর চরিত্রগত ত্রুটি আছে। তাদের বিয়ের প্রায় সাড়ে ৪ বছর এই সাড়ে ৪ বছরে সে একাধিক মেয়েদের সাথে ফোনে,ম্যাসেজে অযথা কথা বলে আসছে এখনও বলে।

হারাম কোনো রিলেশন না কিন্তু তারা অযথা খোশ গল্প,রাত বিরাতে ম্যাসেজিং করে।স্ত্রীকে পর্যাপ্ত সময় দেয়না,হক পালন করেনা।বরং স্ত্রীর হকের সময়টা গয়রে  মাহরামকে দেয়।এটা নিয়ে স্ত্রী শান্তভাবে বুঝিয়েছে,কান্না,অভিমাণ রাগ সব ভাবে একেকবারে বুঝিয়েছে। বুঝানোর পর কিছুদিন ঠিক থাকে তারপর আবার আগের মত।একেকবার  একেকটা।

তার উপর স্বামী বাচ্চা চায়না কোনোভাবেই।সংসারে কোনো মন নেই।যখন তখন যেখানে সেখানে চলে যায় স্ত্রীকে  মাসের ১৫/২০ ও একা রেখে চলে যায় শ্বশুরবাড়ি।অথবা বাপের বাড়ি ফেলে রাখে ৬/৭/৮ মাস এরকম।এই সময় না ভরণপোষণের দায়িত্ব নেয় আর না স্ত্রীর হক পালন করে।

স্ত্রী এই সাড়ে ৪ বছর এগুলো দেখতে দেখতে তার উপর শ্বশুরবাড়ি লোকদের অত্যাচারের কারনে শারীরিক মানসিক দুই ভাবেই অসুস্থ। তার ধৈর্য আর নাই এর সাথে সংসার করার।তার বাপ মা চায় সে আমাকে তালাক দিক, আমিও চাই।

আমার পরিবারও বলসে হয় ভালোভাবে সংসার করো নইলে ছেড়ে দাও ওকে।ওর জীবন নষ্ট করোনা।সে নিজে কোনোভাবেই আমাকে তালাক দিবেনা।সে বলে আমি তোমাকে জীবনেও নিজ থেকে তালাক দিবোনা।তবে তুমি যদি নিজে দিতে চাও বা এমনকিছু তাহলে অনুমতি দিয়ে রাখলাম। যা ভালো মনে হয় করতে পারো।

সে কারো সামনেই এটা বলেনি।আমি ফোনে যখন এগুলা বলসি সে এই কথা বলসে।এখন আমি আমার বাবার বাড়ি আছি সে তার বাড়ি।এখন ফোনে ফোনে কিভাবে আমি কোনো কাজী বাদেই ১ তালাক গ্রহণ করতে পারবো সেটা বলে দিন।

(উল্লেখ্য ১৮ নং কলামে অনুমতি দেয়নি,সেখানে না লিখে রেখেছে।মুখে বলেছে তাও শুধু আমাকে ফোন কলে।আমি এখন ফোন কলেই তালাক গ্রহন করতে চাচ্ছি কোনো ধরনের কোর্ট,কাজী বা শালিশ বিচারের মাধ্যম ছাড়াই। আমার গার্ডিয়ানদের সামনে তাকে ফোন দিয়ে আর ফোন রিসিভ বা করলে ম্যাসেজের মাধ্যমে গ্রহণ করতে চাচ্ছিলাম)

আর যদি ১ তালাক হয়ে যায় আর পরবর্তীতে ইদ্দত পালনের সময়ের মধ্যেই যদি স্ত্রীকে বলে অথবা কারো মাধ্যমে এই কথা পৌছিয়ে  দেয় যে,আমি আমার স্ত্রীকে আবার গ্রহণ করলাম।স্ত্রী না চাওয়া স্বত্তেও কি সম্পর্ক আবারও ঠিক হয়ে যাবে? আমি তাকে এই সুযোগ দিতে চাচ্ছিনা অন্তত তার শুধড়ানোর আগ পর্যন্ত। সে যদি কখনও সম্পূর্ণ রুপে শুধড়ায় তারপর আমাকে গ্রহন করতে চায় আমার কোনো আপত্তি নেই।এক্ষেত্রে এটা ঠ্যাকাতে আমি কি করতে পারি? আমি কি তালাক গ্রহণের সাথে শর্ত জুড়ে দিতে পারি কিনা যে, অমুক অমুক শর্ত মেনে যদি আমাকে গ্রহণ করতে চান তাহলে গ্রহণ করতে পারবেন না হলে আমাদের সম্পর্ক আবার শুরু করা সম্ভব না?

Please log in or register to answer this question.

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...