আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
21 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (31 points)
আসসালামু আ'লাইকুম। আমি একজন মেয়ে।
আমি একটা জিনিস খেয়াল করেছি। সেটা হল, আমি যখন ইলম অর্জন বা যিকির, দরুদ, দুয়া, তিলাওয়াত এগুলো অনেক দীর্ঘ সময় ধরে করি তখন কেমন যেন মনে হয় শরীর মন আর নিতে পারছেনা, অতিষ্ঠ হয়ে গেছে।
পরে দেখা যায় লম্বা সময়ের জন্য সব ছেড়ে দেই পরে আবার ট্র্যাকে ফিরতে সময় লাগে।
আমার প্রশ্ন হল, এটা কি স্বাভাবিক? নাকী নজর লাগার জন্য হতে পারে?
এমনকি যখন সব ছেড়ে দেই তখন এমন হয় যে দুয়া করার অবস্থায়ও থাকিনা। ইচ্ছাই হয়না, নিজেকে জোর করেও বসাতে পারিনা।
এক্ষেত্রে আমার কী করণীয়?
আমার কি দুনিয়া আর দ্বীনের পড়াশোনা দুটোই করা উচিত?
আমি ঘরের কাজ করি। আমার বাসায় সেরকম দ্বীনি কেউ নেই যাকে দেখে অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়, মেয়ে বলে বাইরে কমিউনিটি বানানোরও সুযোগ নাই। অনলাইনে আমি খুবই বিরক্তি বোধ করি।
এক্ষেত্রে একটানা ইস্তিকামাত থাকতে কী করা উচিত?
পরিবারের সবাই আমার পড়াশোনার পরে চাকরি না করাকে অপছন্দ করে, আমার বারবার তাদের থেকে ইসলামের কোর্স বা বই কেনা বা বিভিন্ন দরকারে টাকা চাইতে খারাপ লাগে। তারা নানারকম খোঁচা দেয়।
আমার কি অল্প অল্প করে শুরু করা উচিত?
নাকী দুনিয়াবি কিছুও শুরু করা উচিত, যেমন স্কুলের চাকরি বা টিউশন?
টিউশনের সমস্যা হল বছরের মাঝে ছাত্র পাওয়া যায়না।
আর ইসলামের স্বর্ণযুগের নারীরা কি শুধু ঘরের কাজ আর ইলম অর্জনে সীমাবদ্ধ থাকেননি? আমার কেন তাহলে এরকম লাগে?

1 Answer

0 votes
ago by (813,870 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
রাসূলুল্লাহ সাঃ কে আল্লাহ তা'আলা ৪ টি বিশেষ দায়িত্ব দিয়ে প্রেরণ করেছেন।এ সম্পর্কে আল্লাহ বলেন,
هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِّنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِن كَانُوا مِن قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
তিনিই নিরক্ষরদের মধ্য থেকে একজন রসূল প্রেরণ করেছেন, যিনি তাদের কাছে পাঠ করেন তার আয়াতসমূহ, তাদেরকে পবিত্র করেন এবং শিক্ষা দেন কিতাব ও হিকমত। ইতিপূর্বে তারা ছিল ঘোর পথভ্রষ্টতায় লিপ্ত।(সূরা-জুমুআহ-২)

রাসূলুল্লাহ সাঃ এর ৪ টি দায়িত্বের একটি দায়িত্ব হল,আত্মসুদ্ধি।এই আত্মসুদ্ধির অপর নাম তাসাউফ।তাসাউফ সম্পর্কে জানতে ভিজিট করুন- https://www.ifatwa.info/1037

সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
আপনি নেককার ব্যক্তিদের সংস্পর্শ গ্রহণ করবেন। বিশেষত এলাকার মসজিদের ইমাম সাহেব ও মুওয়াজ্জিন সাহেবদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখবেন। মেয়ে হিসেবে তাদের সাথে মাহরামের মাধ্যমে যোগাযোগ রাখবেন। তাদেরকে হাদিয়া দিবেন ও দু'আ চাইবেন। প্রতি মাসে একবার তাদেরকে ঘরে নিয়ে এসে দাওয়াত খাওয়াবেন। তাবলিগে সময় লাগাবেন। দ্বীনি কিতাবাদি পড়বেন।ইনশাআল্লাহ তাকওয়া ও আত্মশুদ্ধির রাস্তা সহজ হবে। অতিদ্রুত দ্বীনদার পাত্র দেখে বিয়ে করার চেষ্টাকে অভ্যাহত রাখবেন পারিবারিক ভাবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...