আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
10 views
ago in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (5 points)
edited ago by
https://ifatwa.info/143166/

আর জিজ্ঞেস না করলে স্বামীকে কি কোন সমস্যা হবে মানে এমন হলে?ভুলভাল জবাব দেওয়ার সম্ভাবনা হলো?আর ওই স্বামী এইভাবে কথাগুলো বললে এর দ্বারা কি বৈবাহিক কোন সমস্যা হয়?। আগে মানে কয়েক বছর আগে এটা জিজ্ঞেস করা হলে জবাবটা কেমন জানি না বুঝায় আবার জিজ্ঞেস করা। সেখানে বলেছিল মহিলার কথার দ্বারা কোন সমস্যা হবে না কিন্তু জিজ্ঞেস করা হয়েছিল স্বামীর এসব কথার কারণে কোন সমস্যা হয় কিনা।তাই উপরের লিন্ক এর আগের প্রশ্নে বলা হয়েছে আগেও তালাক হবে না বলা হয়েছিল।আর ওই স্বামী ওসব আন্দাজে ভুলে বলেছে মত মনে হলে স্ত্রীর বললেও এতে কি কোন সমস্যা হয়?

অনেক ফতোয়ায় দেখা হয় স্বামীর কথাকে সঠিক ধরা হয় কিন্তু উপরের লিন্ক এর প্রশ্নে হয়ত আন্দাজ বলেছে বললেও স্বামী আর আবার প্রশ্ন করায় মনে নেই বলে ।এতে কি কোন সমস্যা হয়? আর উল্টা পাল্টা জবাব দিতে পারে বলে মনে হলে স্বামীকে   আর জিজ্ঞেস না করলে কি কোন সমস্যা হয়?

Please log in or register to answer this question.

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...