আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
489 views
in সাওম (Fasting) by (45 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম।
১.আমার সাইনুসাইটিসের প্রব্লেম আছে, এজন্য ঠান্ডা বেশি লেগে থাকে।।আর এটা নাক দিয়ে কম আসে গলা দিয়ে বেশি আসে।গরমে বা একটু কান্না করলে বেশি হয়।।  সর্দি লায় ঠুকে গেলে মাঝে মাঝে নোনতা /মিষ্টি লাগে।কান্নার ফলেও তাই,মুখে চোখের পানি ঠুকে নি তবুও নোনতা অনুভব হয়।।এরকম হলে কি রোজা ভেঙে যাবে?? আর যদি নোনতা অনুভব করার পর একটু ঢোক গেলা হয় যে গলায় ঢুকে গেল কিনা চেক করতে,তখন গলায় নোনতা লাগার কারণে রোজা ভাঙবে কি?

২.কবর ভেঙে যাওয়া বা কবরে গর্ত হয়ে যাওয়া, এটা কি বা কেমন? কেন হয় এরকম?  কারো কবর যদি ভেঙে যায় বা এর মাঝে গর্তের সৃষ্টি হয় তাহলে পরিবারের লোকজনের করণীয় কী?

1 Answer

0 votes
by (814,710 points)


ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
(১)
https://www.ifatwa.info/14656 নং ফাতাওয়ায় বলেছি যে,
কাঠি দিয়ে কান খোঁচানোর ফলে কোনো ময়লা বের হলে তারপর ময়লাযুক্ত কাঠি বারবার কানে প্রবেশ করালে রোজা ভঙ্গ হয় না। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৬৭)

চানা বুটের চেয়ে ছোট বস্তু দাঁতের ফাঁকে আটকে গেলে এবং তা গলার ভেতর চলে গেলে কিংবা খেয়ে ফেললে রোজা ভাঙে না। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৬৭)

দাঁত থেকে অল্প রক্ত বের হয়ে যদি গলার ভেতর চলে যায়, তাহলে রোজা ভাঙবে না। যদি রক্তের চেয়ে থুতুর পরিমাণ বেশি হয়, তাহলে রোজা ভেঙে যাবে। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৬৮)

শরীর, মাথা, দাড়ি, গোঁফে তেল লাগালে রোজা ভাঙে না। (আলমগিরি, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ১৯৯)

ফুল বা মৃগনাভির ঘ্রাণ নিলে রোজা ভাঙে না। (শামি, খণ্ড ৩, পৃষ্ঠা ৩৯৯)

ইচ্ছাকৃতভাবে নাকের শ্লেষ্মা মুখের ভেতর নিয়ে নিলে রোজা ভাঙে না। (বিনায়া, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ২৯৪)

মুখের থুতু গিলে ফেললে রোজা ভাঙে না। (নাওয়াজিল, পৃষ্ঠা ১৫০)

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
কফ/সর্দি নাকের ভিতর দিয়ে গলায় চলে গেলে রোযা ভঙ্গ হবে না।

(২)
কবর ভেঙ্গে গেলে মেরামত করে দিবেন।তবে কবরকে পাকা করা যাবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 381 views
0 votes
1 answer 485 views
...